শাসনের নামে শোষণ করে আওয়ামী লীগ দেশের সব কিছু শেষ করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি নেতারা। তারা বলেন, আগামী নির্বাচনে জয়ী হতেই দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রদায়িক হামলা চালিয়েছে আওয়ামী লীগ।
রোববার বেলা ১১টায়, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে নারী অধিকার ফোরাম আয়োজিত গোল টেবিল বৈঠকে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, পরিকল্পিতভাবে একজন পাগলকে দিয়ে মসজিদে কোরআন রাখা হলো। মুসলমানরা আন্দোলনে নামলো। আবার হাজীগঞ্জে হামলা করা হলো। এগুলো সব একইসূত্রে গাঁথা। এই যে তারা পরিকল্পিত ঘটনা ঘটাচ্ছে, এটা তাদের একটা অস্ত্র। এ অস্ত্রকে বিএনপির বিরুদ্ধে ব্যবহার করে তারা আবার ক্ষমতায় আসতে চায়’।
তিনি আরো বলেন, ‘একটি কাকতালীয় ব্যাপার আছে। নাকি এর মধ্যে কোনো যোগসূত্র আছে, আমি বিষয়টি জানি না। কুমিল্লার পূজামণ্ডপে কোরআন অবমানটার ঘটনা যখন ঘটছে, তখন পাশের দেশ ভারতের ত্রিপুরায় একটি নির্বাচন হচ্ছে। সেখানেও কিন্তু সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা ঘটছে। সাম্প্রদায়িক ঘটনা ঘটিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করার ঘটনা নতুন কিছু নয়’।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা রংপুরে দেখেছি, ছাত্রলীগের দুই নেতা পুলিশের উপস্থিতিতে হামলা চালিয়েছে। অতএব এসব ঘটনা কে ঘটাচ্ছে, এ নিয়ে কোনো সন্দেহ করা কিংবা ভাবার অবকাশ নেই। কারণ এটা ঘটিয়েছে সরকার নিজেই’।
মির্জা ফখরুল দাবি করেন, আওয়ামী লীগের অধীনে কখনও কোনো নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ হতে পারে না। বর্তমানে দেশে যতগুলো সঙ্কট তৈরি হচ্ছে, সবকিছুর মূলে গণতন্ত্রহীনতা।
সবাই পরিবর্তন চাই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই মুহূর্তে পরিবর্তন চাই, কিন্তু সেই পরিবর্তন ঘটাতে হলে সবার আগে তরুণ ও যুবকদের এগিয়ে আসতে হবে’।
একাত্তর/এআর
