সিলেটে ফাইজারের টিকা নিতে স্রোতের মত মানুষ আসছে টিকা কেন্দ্রে। মানুষের চাপ সামলাতে রীতিমত হিমসিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। ভিড়ের কারণে সেখানে তৈরি হয়েছে স্বাস্থ্যঝুঁকির পরিবেশ।
কর্তৃপক্ষ বলছে, চাহিদা থাকলেও ফাইজারের টিকার বিশেষায়িত সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনার কারণে টিকাকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানো যাচ্ছে না।
ওসমানি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে টিকা নিতে আসা মানুষের লাইন শুরু হয় ভোর পাঁচটা থেকে। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত চলে টিকা দেয়া।
লাইনে দাঁড়িয়েও বহু মানুষকে টিকা না নিয়েই ফিরে যেতে হয়। বেশিরভাগেরইচাই ফাইজারের টিকা। সেটি না পেলে টিকা না নিয়েই অনেকে কেন্দ্র ছেড়ে চলে যাচ্ছেন।
মানুষের জটলায় দারুণভাবে লঙ্ঘিত হচ্ছে স্বাস্থ্যবিধি। করোনার টিকা নিতে এসে অনেকেই পড়ছেন করোনা সংক্রমণের ঝুঁকিতে।
স্বাস্থ্যকর্মীরা জানান, প্রতিদিন দুই থেকে আড়াই হাজার মানুষকে হাসপাতালে টিকা দেয়া হচ্ছে। ফাইজারের টিকার প্রতি বাড়তি উৎসাহের কারণেই টিকা গ্রহিতাদের চাপ বাড়ছে।
আরও পড়ুন: করোনায় দুই মৃত্যু, ১৭ মাসের মধ্যে সবচেয়ে কম
এদিকে, মানুষের চাপ বাড়লেও টিকাকেন্দ্রের সংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ নেই বলে জানালেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. জাহিদুল ইসলাম।
সিলেটে ফাইজারের টিকার প্রথম ডোজ দেয়া হলেও একই সঙ্গে সিনোফার্ম ও কভিশিল্ড এর টিকার ২য় ডোজ প্রদান কার্যক্রমও চলছে।
একাত্তর/এসএ
