কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়র ও ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেলসহ দুইজনকে গুলি করে হত্যার একদিন পর একটি হত্যা মামলা দায়ের হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ নভেম্বর) গভীর রাতে কাউন্সিলার সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ রুমান বাদী হয়ে কুমিল্লা কোতয়ালী থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা ১১ জনসহ মোট ২১ জনকে আসামী করা হয়েছে।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল আজীম।
মামলায় পার্শ্ববর্তী ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের শাহ আলমকে প্রধান আসামি করে ১১ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া অজ্ঞাত আরও ৮-১০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার বাদী সৈয়দ রুমান ও এজাহার থেকে জানা যায়, ১৭ নম্বর ওয়ার্ড এলাকায় মাদক ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ায় চিহ্নিত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে তার ভাই কে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করে।
এজাহারে উল্লেখ করা ১১ আসামির অন্যরা হলেন- সোহেল ওরফে জেল সোহেল, মো. সাব্বির হোসেন, সুমন, সাজন, আশিকুর রহমান রকি, আলম, জিসান মিয়া, মাসুম, সায়মন ও রনি।
সোমবার (২২ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটায় এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। এ সময় গুলিতে কাউন্সিলরের সহযোগী ওয়ার্ড শ্রমিক লীগের সভাপতি হরিপদ সাহাও নিহত হন। এ ঘটনায় গুলিবিদ্ধ আরও চারজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আরও পড়ুন: সর্বোচ্চ শনাক্ত যুক্তরাষ্ট্রে, সর্বোচ্চ মৃত্যু রাশিয়ায়
এদিকে, মঙ্গলবার ঘটনাস্থলের আধা কিলোমিটারের মধ্যে সংরাইশ বড়পুকুরপাড়ের বিল্লাল হোসেন এর বাড়ির উঠান থেকে তিনটি ব্যাগে থাকা দুইটি এলজি, একটি পাইপগান, ১২ রাউন্ডগুলি, ২০টি হাতবোমা, একটি লোহার রড, দুইটি কালো রংয়ের টি শার্ট উদ্ধার করেছে পুলিশ।
জেলা পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ জানান, মামলার আগেই ঘটনাটিকে সুচারুভাবে তদন্ত করছে পুলিশের একাধিক দল। বিভিন্ন আলামত জব্দের পাশাপাশি জিজ্ঞাসাবাদ ও তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে দ্রুত তদন্ত কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। দ্রুত আসামী শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হবে।
একাত্তর/আরএইচ
