বিজয়ের সুবর্ণজয়ন্তীতে জাতীয় স্মৃতিসৌধে জাতির বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। রাষ্ট্রের শ্রদ্ধা জানানোর পর বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের ভালোবাসায় ভরে ওঠে স্মৃতির মিনার।
বৃহস্পতিবার (১৬ ডিসেম্বর) ভোর ৬টা ২৫ মিনিটে প্রথমে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্মৃতিসৌধের বেদীতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান বীর শহীদদের প্রতি।
ফুলের শ্রদ্ধা জানানোর পর স্বাধীনতাযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন তারা। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী এবং বিমানবাহিনীর একটি সুসজ্জিত চৌকস দল এই সময় রাষ্ট্রীয় সালাম জানায়। বিউগলে বাজানো হয় করুণ সুর। মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, সংসদ সদস্য এবং তিন বাহিনীর প্রধানেরা সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
পরে ছোটবোন শেখ রেহানা এবং কেন্দ্রীয় নেতাদের সাথে নিয়ে আরেকবার বীর শহীদদের শ্রদ্ধা জানান আওয়ামী লীগ সভাপতি। এছাড়াও সেখানে শ্রদ্ধা জানান জাতীয় সংসদের স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রধান বিচারপতি।
আরও পড়ুন: বিজয়ের পঞ্চাশ বছরে বদলে যাওয়া বাংলাদেশ
এসময় সেখানে আরও উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ, ৯ পদাতিক ডিভিশন-এর জিওসি, ঢাকা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা জেলার জেলা প্রশাসক প্রমুখ।
স্মৃতিসৌধ থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যান ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে। রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা জানানোর পর শেখ রেহানা আর দলীয় নেতাদের সাথে নিয়ে জাতির পিতার প্রতি আবারো শ্রদ্ধা জানান শেখ হাসিনা।
সেখানে আওয়ামী লীগ নেতারা বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও স্বাধীনতা বিরোধীরা দেশে নানা ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। তারপরও সব ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে ৫০ এর বাংলাদেশ দুর্বার গতিতে সামনে আরও এগিয়ে যাবে।
প্রধানমন্ত্রী চলে গেলে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে ঢল নামে দলীয় নেতাকর্মীদের।
একাত্তর/এসজে
