নরসিংদীতে এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে চলন্ত ট্রাক থেকে ফেলে হত্যার ঘটনার ছয় দিন পার হলেও এখনো মামলা দায়ের হয়নি।
পরিবারের অভিযোগ, সিসিটিভি ফুটেজ ও লাশের ময়নাতদন্তের পরও মামলা নিতে টালবাহানা করছে শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। এ ব্যাপারে ক্যামেরায় কথা বলতে চাননি তিনি।
শিবপুরের আয়ুবপুর ইউনিয়নের বংশিরদিয়া গ্রামের মৃত বাচ্চু মিয়ার ছেলে মাহমুদুল হাসান আবির। জেলার সরকারি কলেজ থেকে এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছিলো।
বাবার মৃত্যুর পর সংসারের হাল ধরতে পড়াশোনার পাশাপাশি ট্রাকের হেলপারের কাজ শুরু করে আবির। সেই সঙ্গে নিজের পড়াশুনার খরচও চালাতেন তিনি।
আবিরের মা জানান, ট্রাক ড্রাইভার কাউসারের কাছে কিছু টাকা পেতো আবির। সেই টাকা দেয়ার জন্যে মোবাইলে কল করে আবিরকে ডেকে নেয় কাউসার।
১৪ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের শহীদ মিনার এলাকায় তাকে চলন্ত ট্রাক থেকে লাথি মেরে ফেলে দেয়া হয়।
আরও পড়ুন: সাজেকে পর্যটকবাহী মাইক্রোবাসে আগুন
পরে সেখানকার লোকজন তাঁকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যালে নিয়ে আসে। পর দিন মারা যান আবির।
এই ঘটনার সিসিটিভির ছবি সংগ্রহ ও লাশের ময়নাতদন্ত হলেও এখনো মামলা হয়নি। নিহতের পরিবারের অভিযোগ, মামলা করতে গেলে শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, ফুটেজটি প্রায় ১০০ গজ দূরত্বে হওয়ায় ঘটনাটি পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে না।
তবে এনিয়ে শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সালাউদ্দিন মিয়ার সাথে কথা বলতে চাইলে, তিনি ক্যামেরার সামনে কোন কথা বলতেই রাজি হননি।
একাত্তর/এসজে
