রাজধানীর পুরান ঢাকার যে ভবনগুলোতে কেমিক্যাল গোডাউন, দোকান ও কারখানা আছে সরকারের কাছে তার তালিকা চেয়েছেন হাইকোর্ট। সেই সঙ্গে মুন্সীগঞ্জ, শ্যামপুর ও টঙ্গীতে স্থায়ী ও অস্থায়ী কেমিক্যাল পল্লীর অগ্রগতিসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৭ এপ্রিলের মধ্যে এই তালিকা ও প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার (১ ফেব্রুয়ারি) এসব নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন এক রিট আবেদনকারীর আইনজীবী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।
তিনি জানান, ২০১৯ সালে চুড়িহাট্টায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর কেমিক্যাল গুদাম ও কারখানাগুলো পুরান ঢাকা থেকে স্থানান্তরের জন্য ঢাকার শ্যামপুর ও গাজীপুরের টঙ্গীতে ছয় একর করে জমি বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে, কেমিক্যাল পল্লী প্রতিষ্ঠায় উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি নেই।
আরও পড়ুন: পুলিশের মামলায় বিএনপির ৪০ নেতাকর্মী কারাগারে
এদিকে চুড়িহাট্টা অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে আজ একটি রুলও জারি করেছেন আদালত। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তা ব্যাখ্যা করতেও বলা হয়েছে।
একাত্তর এসি
