প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে ১৪ দিন পর

আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২, ০১:৪৭ পিএম

২২ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হচ্ছে। তবে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার বিষয়ে আরও দুই সপ্তাহ পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

বৃহস্পতিবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অনলাইন ব্রিফিংয়ে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা জানান। করোনাভাইরাস সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সঙ্গে আলোচনা করে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান চালু করা হবে। তবে দুই ডোজ নেয়া শিক্ষার্থীদের ক্লাস সশরীরে হবে। যারা দুই ডোজ টিকা পায়নি তাদের ক্লাস অনলাইনে বা টিভিতে হবে। 

আরও পড়ুন: আপাতত দুই ডোজ টিকা নেয়া শিক্ষার্থীরাই যাবে শ্রেণিকক্ষে

আগের মতো স্বল্প পরিসরেই ক্লাস হবে উল্লেখ করে দীপু মনি বলেন, করোনা সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি কমিটির সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করার পর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেই এমন সব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। 

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত ১২ থেকে ১৭ বছর পর্যন্ত মাধ্যমিক পর্যায়ের এক কোটি ২৮ লাখ শিক্ষার্থীর মধ্যে এক কোটি ২৬ লাখ ৫৭ হাজার শিক্ষার্থী প্রথম ডোজ টিকা পেয়েছে। দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছে ৩৪ লাখ ৫০ হাজার শিক্ষার্থী।

তিনি জানান, আগামী ২১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে প্রথম ডোজ পাওয়া শিক্ষার্থীদের দ্বিতীয় ডোজের আওতায় আনা হবে। কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ক্লাসে পাঠদান পরিচালনা করতে হবে। এ বিষয়ে কোনো ধরনের ছাড় দেয়া হবে না।

তিনি বলেন, যেহেতু করোনার কারণে গত এক মাস বন্ধ ছিল তাই যেখানে শেষ সেখান থেকে শুরু করা হবে। বর্তমানে আগের চেয়ে ক্লাসের সংখ্যা বাড়ানো হবে। দ্রুত সময়ের মধ্যে চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সংক্ষিপ্ত সিলেবাস শেষ করা হবে।

বর্তমানে ১২ বছরের নিচে শিক্ষার্থীদের করোনার টিকার আওতায় আনার চেষ্টা চলছে, এমন কথা জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এই বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও কাজ করছে। তারা অনুমোদন দিলে আমরাও এসব শিশুকে টিকার আওতায় আনার কার্যক্রম শুরু করবো।


একাত্তর/এআর

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরকার ও সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কটূক্তি, অপপ্রচার কিংবা আপত্তিকর পোস্ট করা থেকে বিরত থাকতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সতর্ক করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, দেশের প্রতিটি গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। সারাদেশে দুই হাজার ৮৪৭টি গ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়বিহীন রয়েছে।
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি কমানোর কথা ভাবছে সরকার। এ তথ্য জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার।
দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিয়োগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। 
২০২২ সালের পর থেকে দেশের যেসব শিক্ষক কল্যাণ ট্রাস্টের অবসর ভাতা পাননি, তাদের বকেয়া ভাতা দ্রুত পুনরায় চালু করছে সরকার। ইতিমধ্যে দুই হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দ পাওয়া গেছে। আগামী এক মাসের মধ্যেই এর...
রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণের পর হত্যার চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণার জন্য আগামী রোববার (৭ জুন) দিন ধার্য করেছে আদালত। এর মধ্য দিয়ে দেশের বিচার বিভাগের ইতিহাসে নজিরবিহীন দ্রুততম...
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ বর্তমানে বেশ প্রাণবন্ত এবং দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) বাংলাদেশ অফিসের আবাসিক প্রতিনিধি স্টেফান লিলার।
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির মালভিয়া নগরে ভয়াবহ আগুনের ঘটনায় আট বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা গুরুতর।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর