নাটোরে আওয়ামী লীগ অফিসের পাশে দুই পুলিশ সদস্যকে পিটিয়েছে যুবলীগকর্মীরা।
বৃহস্পতিবার (১৭ মার্চ) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এই ঘটনা ঘটলে আহতদের প্রথমে নাটোর সদর হাসপাতাল ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় নাদিম, জাকির ময়েন এবং সাগর নামের চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তারা।
খবর পেয়ে পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহাসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তাদের দেখতে যান।
আহতরা হলেন, কনস্টেবল হাসিব উদ্দিন ও সেলিম হোসেন। তারা দুজনই নাটোর পুলিশ লাইন্সে কর্মরত আছেন।
নাটোরের পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা জানান, দুই পুলিশ সদস্য পুলিশ লাইন থেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে শহরে কাজে এসেছিল। এসময় কান্দিভিটা এলাকায় ভিড়ের মধ্যে পুলিশ সদস্যর মোটরসাইকেলের সাথে নাদিম নামে একজনের মোটরসাইকেলের ধাক্কা লাগে।
পরে নাদিমসহ তার ৮ থেকে ১০ জন সহযোগী পুলিশ সদস্যদের সাথে বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে দুই পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে ও ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
স্থানীরা তাদের উদ্ধার করে নাটোর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
আরও পড়ুন: জানালা দিয়ে খাবারে চেতনানাশক ওষুধ মিলিয়ে গ্রিল কেটে চুরি
এদিকে ঘটনার পরই চারজনকে আটক করে পুলিশ। বাকিরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। পলাতকদেরও গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশি অভিযান শুরু হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে।
নাটোর জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন বিপ্লব বলেন, পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলাকারীরা যুবলীগের কোন পদধারী নেতা নয়। তবে তারা যুবলীগের সদস্য হিসেবে পরিচিত। হামলাকারীদেরকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। তদন্ত করে প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া দাবি করছি।
একাত্তর/আরএ
