সুনামগঞ্জে ফসল রক্ষায় বাঁধে যুদ্ধ করে যাচ্ছেন প্রশাসন-কৃষক। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে পাহাড়ি ঢলের কাছে হেরে যাচ্ছেন হাওরের কৃষক।
রোববার (১৭ এপ্রিল) তিনটি বাঁধ ভেঙ্গে হাওরে পানি ঢুকে কৃষকের ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করছে। বাধগুলো গত ১৫ দিন ধরে পাহাড়ি ঢলে নিমজ্জিত থাকায় ধস নামছে। ফলে বাঁধ ভেঙ্গে, কোথাও বাঁধ উপচে হাওরের ফসল ডুবে যাচ্ছে।
সর্বশেষ রোববার রাতে দিরাই উপজেলার হোরামন্দিরা হাওরের বাঁধ ভেঙ্গে হাওরে পানি ঢুকছে। জগদল ইউনিয়নের নূরপুর গ্রামের পূবের বন্দের ও জগন্নাথপুরের ভুরাখালি এলাকার কাছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৪২ নম্বর বাধটি ভেঙ্গে পানি ঢুকছে হাওরটিতে। সারারাত পানি ডুকে হাওর এখন জলে থৈথৈ করছে।
সুনামগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দিরাই উপজেলার হোরা মন্দিরা হাওরে চলতি বোরো মওসুমে এক হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছিল।
আরও পড়ুন: ঢাকাসহ ৬ বিভাগে বৃষ্টির পূর্বাভাস
তবে তারা আরও জানিয়েছে, ইতোমধ্যে ৭০ ভাগ জমির ধান কাটা হয়ে গেছে। যে জমিগুলো অবশিষ্ট আছে বাঁধ ভেঙ্গে সব অবশিষ্ট ফসল নষ্ট হবেনা। তবে এই মুহূর্তে আর অপেক্ষা না করে ধান কেটে তোলার আহ্বান জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, রোববার পুরাতন সুরমা নদীর পানি ৩৩ সেন্টিমিটার বেড়েছিল। সোমবার সকালে আরও তিন সেন্টিমিটার বেড়ে ৫.৯৪ মিটার উচ্চতায় প্রবাহিত হচ্ছে। উজানে বৃষ্টিপাতও অব্যাহত আছে। পানি বৃদ্ধির কারণে বিভিন্ন এলাকার সব বাধ ঝুঁকিতে পড়েছে।
একাত্তর/এসজে
