জুন থেকে পাইলট প্রকল্পের আওতায় রাজধানীতে মৌজাভিত্তিক পানির দাম চালু করতে যাচ্ছে ওয়াসা। ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক তাকসিম এ খান জানান, মৌজার জমির দামের সাথে সমন্বয় করে নির্ধারণ করা হবে পানির দাম।
তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, মৌজাভিত্তিক নয়, সিটি করপোরেশনের হোল্ডিং ট্যাক্সের সাথে সমন্বয় করে প্লটভিত্তিক দাম নির্ধারণ হওয়া উচিত। নয়তো দামের ক্ষেত্রে বৈষম্য হতে পারে।
রাজধানীর বাসাবাড়িতে সরবরাহ করা ওয়াসার পানির দাম প্রতি হাজার লিটারে ১৫ টাকা ১৮ পয়সা। ধনী গরিব সবার জন্য একই হার।
ওয়াসা বলছে এতে করে সামর্থ্য থাকার পরও উচ্চবিত্তরা পানির জন্য ন্যুনতম বিল দিচ্ছেন। সেই তুলনায় গরীবরা দিচ্ছেন অনেক বেশি।
এই বৈষম্য কমাতে নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী মৌজাভিত্তিক পানির দাম ঠিক করতে চায় ওয়াসা। যে মৌজায় জমির দাম বেশি, সেখানে পানির দামও হবে বেশি। আর, যেখানে জমির দাম কম সেখানে পানির দামও হবে কম বলে জানিয়েছেন ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক।
তবে, ওয়াসার এই যুক্তিকে বাস্তব সম্মত নয় বলে মনে করছে নাগরিকরা। তারা বলছেন ঢাকার গুলশানে যেমন কোটিপতির বাস। তেমনি তার পেটের ভেতরে কড়াইল বস্তির মতো এলাকায় দিন এনে দিন খাওয়া মানুষের সংখ্যাও কম নয়।
নগর পরিকল্পনাবিদ ইকবাল হাবিবও নাগরিকদের সঙ্গে একমত। তিনি বলেন, পানির দাম হওয়া উচিত সিটি করপোরেশনের ট্যাক্সের সাথে সমন্বয় করে। মৌজা ভিত্তিক পানির দাম নির্ধারণ হলে বিত্তবানরাই সুবিধা পাবেন। আর নিম্নবিত্তরা পড়বেন নতুন ভোগান্তিতে।
একাত্তর/এআর
