বাংলাদেশের এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র্যাব) ওপর দেওয়া নিষেধাজ্ঞা এখনই উঠছেনা বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস।
শুক্রবার (১৭ জুন) দূতাবাসের ‘এম টক’ শিরোনামে নিজেদের এক আলোচনা অনুষ্ঠানে অ্যাম্বাসির মুখপাত্রের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
রাষ্ট্রদূত বলেন, র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা এখনই উঠছেনা, কারণ বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের কথা অনুযায়ী পদক্ষেপ নেয়নি। তবে বাংলাদেশ সার্বভৌম দেশ হিসেবে তাদের সিদ্ধান্ত নিতে পারে। কিন্তু এটি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে কোনো বাধা তৈরি করবে না।
র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘আমরা অনেকবার শুনেছি নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে বাংলাদেশ অবাক হয়েছে। তবে তাদের বিস্ময় দেখে আমরাই প্রায় বিস্মিত হয়েছি, কেননা মানবাধিকার বিষয়ে উদ্বেগের কারণে ২০১৮ সালেই আমরা র্যাবকে প্রশিক্ষণ দেয়া বন্ধ করে দিয়েছিলাম। কয়েক বছর ধরে আমরা মানবাধিকার নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করছি। দ্বিপাক্ষিক বৈঠকেও আমরা এটি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছি।’
এ নিষেধাজ্ঞা দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এমনটা হতে হবে তা তিনি মনে করেন না। এরকম গভীর ও বিস্তৃত সম্পর্ক থাকলে সেখানে দ্বন্দ্ব থাকাটাই স্বাভাবিক। তবে র্যাবের নিষেধাজ্ঞা ও অন্যান্য ইস্যু নিয়ে একসাথে বসে কথা বলা উচিৎ বলে মত প্রকাশ করেন তিনি।
‘হয়তো আমরা আমাদের চাওয়ার কথা বলব, আর বাংলাদেশ সরকার বলবে তারা সেটি করতে পারবে না। সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে তারা সেটি বলতেই পারে। এরপর আমরা এগিয়ে যাবো। আমার মনে হয় সেটি ঠিকই আছে’, বলেন পিটার হাস।
একাত্তর/এসি/এসজে
