বন্যায় বিপর্যস্ত সিলেট ও সুনামগঞ্জের প্রায় ৩০ লাখ মানুষ। হঠাৎ পাহাড়ি ঢলে দুই জেলার প্রায় ৯০ ভাগ ঘরবাড়ি এখন পানির নিচে। ক্রমেই ঘটছে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি।
এদিকে কুমারগাঁও গ্রিড উপকেন্দ্রে বন্যার পানি উঠে যাওয়ায় সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার বিদ্যুৎ সরবরাহ সাময়িক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
শনিবার (১৮ জুন) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয় বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদের।
তিনি সাংবাদিকদের বলেন, পানি উঠে যাওয়ায় আপাতত উপকেন্দ্রটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ গ্রিড বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পুরো সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলা এখন বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন হয়ে গেলো। আমরা চেষ্টা করছি, পানি সেচে দ্রত এটি আবার চালু করতে।
সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, কুমারগাঁওয়ে বিদ্যুৎকেন্দ্র রক্ষায় আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি। সেনাবাহিনীও এখানে কাজ করছে। সেনাবাহিনী বিদ্যুৎকেন্দ্রের চারপাশে বালুর বস্তা দিয়ে বাঁধ নির্মাণের চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে কেন্দ্রে ঢুকে পড়া পানি সিটি করপোরেশনের সাকার মেশিন দিয়ে শুকানোর কাজ করা হচ্ছে।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সন্ধ্যা থেকেই সুনামগঞ্জ ও সিলেট জেলার বেশকটি উপজেলা বিদ্যুৎহীন হয়ে ছিল। এই অবস্থার মধ্যে পানি সেচে সিলেট নগরীতে শুধু বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু রাখা হচ্ছিলো।
আরও পড়ুন: সিলেটের দুই জেলায় দুর্বিষহ জীবনে ৩০ লাখ মানুষ
এদিকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্নের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছেন জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে প্রতিমন্ত্রী সাময়িক এই অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করে সিলেট অঞ্চলের বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ধৈর্য ধরার অনুরোধ করেছেন।
একাত্তর/এসি
