সুনামগঞ্জে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও এখনও বাসাবাড়ি ও রাস্তাঘাট থেকে নামেনি পানি। বানভাসি বেশিরভাগ মানুষ এখনও ঘরে ফিরতে পারেনি। এদিকে সবচেয়ে বিপাকে রয়েছেন বন্যায় ঘরবাড়ি হারানো গ্রামের মানুষগুলো। বন্যার পর কোথায় মাথা গুঁজবেন, এই দুশ্চিন্তা ভর করেছে তাদের ওপর।
১৫ জুন থেকে সুনামগঞ্জে শুরু হওয়া বন্যা ভয়াবহ রূপ নেয় পরদিন ১৬ জুন। সরকারি হিসাব অনুযায়ী ৪৫৬ আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নেয় এক লাখ ৬০ হাজার মানুষ। এছাড়া বিচ্ছিন্নভাবে অনেক মানুষ বিভিন্ন জায়গায় আশ্রয় নেয়।
বন্যার জেলার প্রায় শতভাগ এলাকা প্লাবিত হয়। বন্ধ হয়ে যায় বিদ্যুৎ ও মোবাইল সেবা।
ইতিমধ্যে জেলার বিভিন্ন জায়গায় বন্যা পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতিগুলো দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে।পানি নেমে যাওয়ায় বিভিন্ন জায়গায় কাচা ঘরবাড়ি ধসে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।
আরও পড়ুন: বন্যার পানি নেমে গেলে বাড়িঘর মেরামত এবং কৃষি পুনর্বাসন
এদিকে জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানিয়েছে, সরকারিভাবে ৮০ লাখ টাকা, ৬৫০ টন জিআর চাল, শুকনো খাবার দেওয়া হয়েছে। ঢাকা থেকে ও নৌ কোস্টগার্ড ত্রাণ নিয়ে আসছে। তাছাড়া বন্যা পরবর্তীতে আশ্রয় কেন্দ্রে বানভাসিদের সহায়তা অব্যাহত রাখা হবে।
একাত্তর/এসি
