ঈদুল আযহার দিন কুমিল্লায় আলাদা আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় চারজনের মৃত্যু হয়েছে।
এদিন ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়িতে বাসের ধাক্কায় প্রাণ হারালেন চাচা ভাতিজা দুজনই। কোরবানির পশুর মাংস নিয়ে গ্রামের বাড়ি জেলার বরুড়ার নবীপুর থেকে মোটরসাইকেলে কুমিল্লা শহরের বাসায় ফিরছিলেন চাচা–ভাতিজা।
এ সময় আহত হয়েছেন মোটরসাইকেলে থাকা আরও একজন। তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
রোববার (১০ জুলাই) বিকেল সাড়ে চারটার দিকে মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকায় এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন মো. মাকসুদুর রহমান (৩৮) ও ফাহাদ (৮)। মাকসুদুর রহমান কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার খোশবাস উত্তর ইউনিয়নের নবীপুর গ্রামের মৃত মো. সফিকুর রহমানের ছেলে এবং ফাহাদ সফিকুর রহমানের বড় ছেলে ইতালিপ্রবাসী মো. রিপনের ছেলে।
মো. মাকসুদুর রহমানের চাচা মাওলানা মো. শাহ আলম জানান, মাকসুদুর ভাতিজা ফাহাদকে নিয়ে মোটরসাইকেলে করে নবীপুর গ্রামের বাড়ি থেকে কুমিল্লা শহরের বাসায় ফিরছিলেন। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বাসের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই নিহত হয় দুজন।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বেলালউদ্দিন জাহাঙ্গীর জানান, এ দুর্ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এদিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লা আলেখাচর সংলগ্ন জাগুরঝুলি এলাকায় কুমিল্লা চক্ষু হাসপাতালের সামনে বিকেল সাড়ে ৫টায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দৈনিক সময়ের কণ্ঠ পত্রিকার কুমিল্লা প্রতিনিধি কাজী সাইফুল ইসলাম এর বড় ছেলে কাজী সাকিব হোসেন মারা গেছেন।
এছাড়াও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নিমসারে বাজারে রাস্তা পার হতে গিয়ে নিমসার মুহুরী বাড়ির মৃত সেলিমের স্ত্রী রাহেলা বেগম (৪০) নামের এক নারী মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত হন।
এদিকে কুমিল্লার পুলিশ সুপার রহমতুল্লাহ জানিয়েছেন, রোববার কুমিল্লায় আলাদা সড়ক দুর্ঘটনায় আলাদা আলাদা মামলা দায়ের করা হবে।
একাত্তর/এসজে
