মুন্সীগঞ্জ জেলার লৌহজং কলমা ইউনিয়নের ডহুরী কলমাবাজার খালের ওপর সাত বছর আগে জেলা পরিষদের অর্থায়নে ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৩৮ ফুট দৈর্ঘ্য ও ১০ ফুট প্রস্তের সেতুর চার ফুট পরিমাণ ভেঙে দিয়েছেন ঠিকাদার ইমন শেখ।
গেল সপ্তাহে সেতুটির বড় একটি অংশ ভেঙে নিজের ইচ্ছেমত কাজ করে যান তারা।
জানা যায়, কলমার অধিবাসী বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ইদ্রিস শেখের গাড়ি বাড়িতে যাওয়ার জন্য কোন রকমের নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে সেতুর রেলিংসহ বড় একটি অংশ ভেঙে দেয়া হয়।
এ ব্যাপারে ঠিকাদার ইমন শেখের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তারা জেলা পরিষদ থেকে কোন অনুমোদন নেয়নি কিংবা কোন টেন্ডার না দিলেও ইদ্রিস শেখের টাকায় আরো মজবুত করে সেতুর পাশে কাজ করে দিচ্ছেন।
কোন রকমের নিয়ম না মেনে ব্যক্তি স্বার্থে সেতু ভাঙার কারণে বিচার চেয়ে কলমা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান অরুণ জেলা পরিষদ কর্তৃপক্ষের বরাবর ১০ আগস্ট একটি আবেদন করেন।
কি ব্যবস্থা নেওয়া হলো, মুন্সীগঞ্জ জেলা পরিষদের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আবুল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের পরামর্শেই সেতুর একটি অংশ ভাঙা হয়েছে। টেন্ডার হয়েছিল কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, যেখানে ঠিকাদার নিজেই স্বীকার করেছেন জেলা পরিষদের অনুমোদন কিংবা টেন্ডার ছাড়াই তারা এই কাজ করেছেন। সেখানে আবুল হোসেনের এমন বক্তব্যে আর্থিক লেনদেনের প্রশ্ন উঠতেই পারে।
আরও পড়ুন: হাতীবান্ধায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে শিশুর মৃত্যু
জেলা পরিষদের নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী রওশন ইসলাম এ প্রসঙ্গে বলেন, তিনি ঘটনাটি শুনেছেন, অনুমোদন ছাড়াই সেতুর রেলিং ভাঙা হয়েছে। শাস্তি হিসেবে যারা সেতু ভেঙেছে তাদেরকে সেতুর দুই পাশ মজবুত করে কাজ করে দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয়রা এ ঘটনার দ্রুত সমাধান দাবি করেন।
একাত্তর/আরএ
