পর্যাপ্ত বরাদ্দের পাশাপাশি দক্ষ জনবল পেলে, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে১৫০ নয়, ৩০০ আসনেই ইভিএমে ভোট হবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মোহাম্মদ আলমগীর।
তিনি আরও জানান, রাজনৈতিক দলগুলোর শর্ত সমাধানের পর ১৭টি দল ইভিএমেরপক্ষে আর ১২টি বিপক্ষে। সক্ষমতা অর্জন হলে সব আসনেই ইভিএম ব্যবহার করা হবে।
এদিকে, চট্টগ্রামে জেলা পরিষদ নির্বাচনে বির্তকিত অবস্থান নেয়ায় জেলাপ্রশাসককে রির্টানিং কর্মকর্তার পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে কমিশন।
জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর অবস্থান স্পষ্টহয়েছে বলে মনে করছে নির্বাচন কমিশন। এরিমধ্যে ১৫০ আসনে ইভিএম ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছেইসি।
সংলাপে দলগুলো ইভিএমে কারচুপি করাসহ যে সব সমস্যার কথা জানিয়েছে বিশেষজ্ঞদিয়ে সেসব সমস্যার সমাধান করেছে বলেও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপেরসময় নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর বলেন, টাকা আর প্রশিক্ষণ পেলে সব আসনেই ইভিএমে ভোটহবে।
তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে অভিযোগের শেষ নেই। রাতে ভোট হয়ে গেছে, এমনকথা বারবার শুনে আসছি। এসব যেন আর না হয় সেজন্যই আমরা ইভিএমে ভোট গ্রহণ করার পক্ষে।
কমিশনার জানান, সংলাপে রাজনৈতিক দলগুলো বক্তব্য ও শর্তপূরণ করার পরইভিএমে ভোটের পক্ষে ১৭টি রাজনৈতিক দল আর বিপক্ষে ১২টি।
তিনি বলেন, এই অবস্থান নিয়েও কারো আপত্তি আছে কি না দরকার হলে তা পর্যালোচনাকরা হবে। সক্ষমতা অর্জিত হলে ৩০০ আসনেই ইভিএম ব্যবহার করা হবে।
তিনি আরও বলেন, ইভিএমের ভোটে ঝুঁকি কম এবং বির্তক নেই। আগের ৯০০ নির্বাচনতার প্রমাণ। পর্যাপ্ত বরাদ্দ পেলে ৩০০ আসনেই ইভিএমে ভোট করা যেতে পারে।
আরেক নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা বলেন, ইসির কাছে ইভিএম ত্রুটিমুক্তমনে হলে ইভিএম দিয়েই নির্বাচন হবে। এখানে কারও চাওয়া বা না চাওয়ায় কিছু আসে-যায় না।
তিনি বলেন, নির্বাচন দলীয়ভাবে হচ্ছে না কি হচ্ছে সেটা দেখার দায়িত্ব আমাদের নয়। একজন দাঁড়াচ্ছেন,আরেকজন দাঁড়াচ্ছেন না। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়াটা বেআইনি নয়।
আবার নির্বাচনে কেউ অংশ নিতে পারবে না, এমন অবস্থাওতো তৈরি হয়নি। আমরা চাচ্ছি সবাই নির্বাচনে আসুক। কিন্তু কেউ যদি না আসে, তাহলে তো আমাদেরকরার কিছু নেই।
এই কমিশনার বলেন, দেশে অনেক ঘটনাই ঘটছে, তা কারোইআকাঙ্ক্ষিত নয়। ছোটবেলায় আমরা দেখেছি স্থানীয় নির্বাচন দলীয় নয়। কিন্তু অলিখিতভাবেঅনেক কিছু হয়ে যায়।
এটা বন্ধ করা কিন্তু রাজনৈতিক দলগুলোরই কাজ।এটা নির্বাচন কমিশনের কাজ নয়। কোথাও কোনো অনিয়ম হলে এখন আমরা নির্দ্বিধায় আমাদের সিদ্ধান্তনেব। আওয়ামী লীগ-বিএনপি এগুলো কিন্তু আমরা আমলে নেব না। ইতিপূর্বেও আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।
এর আগে, কমিশনার রাশেদা সুলতানা জানান, চট্টগ্রামে জেলা পরিষদ নির্বাচনজেলা প্রশাসক বির্তকিত অবস্থান নেয়ায় তাকে রিটার্নিং কর্মকর্তার দায়িত্ব থেকে সরিয়েদেয়া হয়েছে।
