বান্দরবানের রোয়াংছড়িতে সন্ত্রাসি দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে আটজন নিহত হয়েছেন। যাদের সবাই পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন কেএনএফ সদস্য বলে ধারনা করা হচ্ছে।
নিহতদের পোশাক দেখে ধারণা এমনটাই ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনার পর থেকে সেখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে। সেই সঙ্গে বাসিন্দাদের রাখা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্রে।
বৃহস্পতিবার রাতে বান্দরবানের রোয়াংছড়ির সদর ইউনিয়নের খামতাং পাড়ায় শুরু হয় পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী দুই সশস্ত্র সংগঠনের গোলাগুলি। চলে ভোর রাত পর্যন্ত।
খবর পেয়ে সেনাবাহিনী ও পুলিশ শুরু করে যৌথ অভিযান। ঘটনাস্থলে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় গুলিবিদ্ধ আট জনের মরদেহ।
পুলিশ বলছে, নিহতদের সবার শরীরে জলপাই রঙের পোশাক রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তারা সবাই পাহাড়ের বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠন কুকি চীন ন্যাশনাল ফ্রন্ট কেএনএফ সদস্য।
বান্দরবানের পুলিশ সুপার তারিকুল ইসলাম জানান, আধিপত্য নিয়েই এই সংঘাত হতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা। তবে এনিয়ে আরও খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে।
রোয়াংছড়ি থানার ওসি আবদুল মান্নান বলেন, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
ঘটনার পর থেকে রোয়াংছড়ির এলাকায় থমথমে পরিবেশ রয়েছে। নিজেদের পাড়া ছেড়ে
বম কমিউনিটি সেন্টারে আশ্রয় নিয়েছে নারী-শিশুসহ ৪০ জন।
নিহত সাত সদস্য হলেন- ভান দু বম, সাং খুম, সান ফির খাং বম, বয়রেম বম, জাহিম বম, লাল লিয়ান বম ও লালঠা জার বম। নিহত আরেক জনের পরিচয় পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ওই এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে স্থানীয় এক কারবারি প্রাণ হারান। এছাড়া আরও বেশ কয়েকবার ওই এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
একাত্তর/এআর/এসি
