মিয়ানমারে ক্ষমতাসীন সামরিক সরকারকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পাশাপাশি তাদের সহায়তা না দেওয়ার জন্য জাপানের প্রতি আহবান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূত টমাস অ্যান্ড্রুজ।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ইউক্রেনে আগ্রাসনের জেরে জাপান রাশিয়ার ওপর যেমন নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে, তেমনি মিয়ানমারের ওপরও জাপানের নিষেধাজ্ঞা দেয়া উচিত। পাশাপাশি জান্তার জন্য আর অর্থ ব্যয় না করে সেই অর্থ দেয়া উচিত বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের।
জাতিসংঘের বিশেষ দূত আরো বলেন, জাপানের সহায়তায় সামরিক প্রশিক্ষণ নিচ্ছে মিয়ানমারের জান্তা। তারা শিখছে কী করে দক্ষ সৈনিক ও কমান্ডার হওয়া যায়; তারপর এই প্রশিক্ষিত সেনারা মানবতাবিরোধী অপরাধ ও যুদ্ধাপরাধ করা সেনাবাহিনীতে ফিরবে।
যতদিন জাপান এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ না করবে, ততদিন তারা বর্বর সামরিক শাসনের সঙ্গে যুক্ত থাকবে, যোগ করেন টমাস অ্যান্ড্রুজ।
আরও পড়ুন: বন্ধ হতে পারে রাশিয়ার ভাড়াটে সেনাবাহিনীর কার্যক্রম
মিয়ানমারের সঙ্গে জাপানের মিত্রতা দীর্ঘদিনের। ২০২১ সালে সেনা অভ্যুত্থানের আগ পর্যন্ত জাপান ছিল মিয়ানমারের প্রধান আর্থিক সহায়তা প্রদানকারী ও বিনিয়োগকারী দেশ। অভ্যুত্থানের পর সেই সহায়তার প্রবাহ সংকুচিত হলেও একেবারে বন্ধ হয়নি।
একাত্তর/আরএ
