প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হওয়ার মধ্যদিয়ে আবারও তুরস্কের মসনদে বসছেন রিসেপ তাইপ এরদোগান। দ্বিতীয় দফা ভোটে ৭৪ বছর বয়সী কেমাল কিলিচদারুলুকে পরাজিত করেছেন ৬৯ বছর বয়সী এরদোগান।
রোববার অনুষ্ঠিত রান-অফ নির্বাচনে তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলু ও বিরোধীদের সমর্থিত সংবাদ সংস্থা আনকার প্রকাশিত প্রাথমিক ফলে দেখা গেছে, প্রায় ৯৩ শতাংশ ব্যালট বাক্স গণনায় এগিয়ে আছেন এরদোয়ান।
এরইমধ্যে তুরস্কের রাস্তায় নেমে এসেছে এরদোগান সমর্থকরা। স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠেছে রাজধানীসহ বড় শহরের রাস্তাগুলো।
আনাদোলুর বরাতে আল-জাজিরা জানায়, এরদোগান পেয়েছেন ৫২ দশমিক ১ শতাংশ ভোট, আর তার প্রতিদ্বন্দ্বী কেমাল কিলিচদারুলু পেয়েছেন ৪৭ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট।

দেশটির সুপ্রিম ইলেকশন কাউন্সিল এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে এ ফলাফল ঘোষণা করেনি। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দ্রুতই আসছে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা।
এর আগে ৯ বছর প্রেসিডেন্ট এবং ১১ বছর প্রধানমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন এরদোগান। কিন্তু তার আমলেই স্মরণকালের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক সংকটের সম্মুখীন হয়েছে তুরস্ক। অন্যদিকে করোনা এবং ইউক্রেন যুদ্ধ এ নির্বাচনকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করে। কিন্তু তুরস্কের জনগণ শেষ পর্যন্ত তাকেই দেশটির মসনদে বসালেন।
রোববার (২৮ মে) স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়, যা চলে বিকাল ৫টা পর্যন্ত। ভোটগ্রহণের জন্য তুরস্কে এক লাখ ৯২ হাজার নির্বাচনীকেন্দ্র খোলা হয়।
তুরস্কের উচ্চ নির্বাচন বোর্ডের প্রধান আহমেদ ইয়ানার এক সম্মেলনে বলেন, প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী কেমাল কিলিচদারুলুর চেয়ে এগিয়ে আছেন প্রেসিডেন্ট এরদোগান।
আরও পড়ুন: বাধা নয়, সুষ্ঠু নির্বাচন আদায় করাই লক্ষ্য: বিএনপি
গত ১৪ মে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রথম দফা ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু তারা দু'জনই ৫০ শতাংশের বেশি ভোট না পাওয়ায় দ্বিতীয় দফায় গড়িয়েছে ভোট।
কিলিচদারোগলু প্রথম রাউন্ডে ৪৪ দশমিক ৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন, এরদোগানের ৪৯ দশমিক ৫ শতাংশের বিপরীতে। আর তৃতীয় স্থানে ছিলেন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী সিনান ওগান। তিনি মাত্র ৫ শতাংশ ভোট পেয়েছিলেন। তবে দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে তিনি এরদোগানকে সমর্থন দিয়েছেন।
একাত্তর/আরবিএস
