বরিশাল সিটি নির্বাচনে সোমবার সকাল আটটা থেকে ইভিএমে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরিশাল সরকারি কলেজ কেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন মেয়র পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ।
ভোট দিয়ে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, যেভাবে ভোট হচ্ছে তাতে সন্তুষ্ট। ফলা যাই হোক না কেন মেনে নেবেন।
বরিশালের সাবেক মেয়র ও ভাতিজা সাদিক আব্দুল্লাহ এই নির্বাচনে ভোট দেবেন কিনা এমন প্রশ্নে খায়ের আব্দুল্লাহ বলেন, তিনি তা জানেন না।
বরিশালে ভোটার সংখ্যা দুই লাখ ৭৬ হাজার ২৯৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ এক লাখ ৩৭ হাজার ৪৮৯ জন এবং নারী এক লাখ ৩৮ হাজার ৮০৯ জন।
এই নির্বাচনে সাত জন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ খোকন সেরনিয়াবাত (নৌকা), জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন তাপস (লাঙ্গল), বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের মুফতি ফয়জুল করিম (হাতপাখা), জাকের পার্টির মিজানুর রহমান বাচ্চু (গোলাপ ফুল), স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. কামরুল আহসান (টেবিল ঘড়ি), মো. আলী হোসেন হাওলাদার (হরিণ) এবং মো. আসাদুজ্জামান (হাতি)।
আরও পড়ুন: সিসিটিভিতে দুই মহানগরীর ভোট দেখছে ইসি
তবে মেয়র ভোটের হিসেব না মিললেও ভোট উৎসবের আমেজ নগরজুড়ে। বড় চার মেয়র প্রার্থীর মধ্যে যেমন হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস; তেমনি কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর প্রার্থীদের মধ্যেও তুমুল লড়াইয়ের আভাস মিলছে বেশিরভাগ ওয়ার্ডে।
সিটির ৩০টি ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১১৯ জন এবং সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলরের ১০টি পদের বিপরীতে ৪২ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন। নির্বাচনে দুই নারী সাধারণ কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তারা হলেন, ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের রোজিনা শেখ আয়শা ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ডের ফরিদা বেগম। মোট ছয় জন নারী প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিলেও শেষ মুহূর্তে চার জন তা প্রত্যাহার করেন।
একাত্তর/এসি
