ইউক্রেনের রুশ অধিকৃত খেরসন অঞ্চলের সঙ্গে ক্রিমিয়া উপদ্বীপের সংযোগকারী ‘চোঙ্গার’ সেতুতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইউক্রেনীয় বাহিনী।
বৃহস্পতিবার সেতুর উভয় প্রান্তে রাশিয়ার নিযুক্ত কর্মকর্তারা বিষয়টি জানিয়ে এ হামলার জন্য কিয়েভকে দায়ী করছে। খবর: রয়টার্স।
‘চোঙ্গার’ সেতুতে এ হামলার ফলে যানবাহন চলাচলের পথ ভিন্ন দিকে সরিয়ে নিতে হয়েছে বলে জানায় রাশিয়া।
খেরসনের রুশ নিযুক্ত গভর্নর ভ্লাদিমির সাল্ডো জানান, হামলার ফলে সেতু ক্ষতিগ্রস্ত হলেও হতাহতের কোনও খবর পাওয়া যায়নি। হামলায় স্টর্ম শ্যাডো ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধারণা করছেন তিনি।
ক্রিমিয়া অঞ্চলের গভর্নর সের্গেই আক্সিনোভ জানান, সেতুটি স্বাভাবিক অবস্থায় আনতে কত সময় লাগবে তা নিয়ে গবেষণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ইউক্রেন যুদ্ধে মস্কোর অন্যতম প্রধান সাফল্য আজভ সাগরের পশ্চিম উপকূল থেকে দিনিপ্রো নদীর পূর্ব তীর পর্যন্ত অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ অর্জন। এর মাধ্যমে রুশ দখলে থাকা অন্যান্য অঞ্চল থেকে আর বিচ্ছিন্ন থাকেনি ক্রিমিয়া। ২০১৪ সালে ইউক্রেনের কাছ থেকে ক্রিমিয়ার নিয়ন্ত্রণ নেয় মস্কো।
এছাড়াও বুধবার রাতে ইউক্রেনের বন্দরনগরী ওডেসায় ড্রোন হামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কিয়েভের কর্মকর্তারা। আবাসিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলাসহ রাশিয়া বোমা ও গোলাবারুদ ব্যবহার করছে বলে জানান তারা।
এদিকে, পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে কিয়েভও। রুশ দখল থেকে নিজেদের ভূখণ্ড রক্ষার্থে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে রুশবাহিনীর বিরুদ্ধে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে ইউক্রেনীয় সেনারা। লড়াইয়ে কিয়েভের সেনারা জাপোরিজ্জিয়া ও দোনেৎস্কের আটটি গ্রাম পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে বলে দাবি ইউক্রেনীয় বাহিনীর।
একাত্তর/জো
