উপজেলা-গ্রামাঞ্চলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। এ অবস্থায় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নগরের পাশাপাশি উপজেলা ও গ্রাম পর্যায়ে মশক নিধন কার্যক্রম নিয়মিত করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (চমেক) পরিচালক।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্তদের এক তৃতীয়াংশ আসছেন উপজেলা ও গ্রামাঞ্চল থেকে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মেডিকেলে যত রোগী ভর্তি হচ্ছেন আক্রান্তের সংখ্যা এরও দ্বিগুণ।
চমেকের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান বলেন, শুধু যে ঢাকা-চট্টগ্রামে ডেঙ্গু বা শহরেরই ডেঙ্গু তা আর বলার সুযোগ নেই। এখন সারাদেশেই ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ছে। আমাদের হাসপাতালের এক তৃতীয়াংশ রোগী আসছে উপজেলা থেকে।
ময়মনসিংহেও এখন বেশিরভাগ রোগী আসছে উপজেলা থেকে। এরই মধ্যে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ডেঙ্গু ওয়ার্ড আরও বাড়ানোর কথা ভাবছে।
ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফোকাল পারসন ডেঙ্গু ওয়ার্ডের মহিউদ্দিন খান মুন বলেন, পুরাতন বিল্ডিংয়ের তিন তলাকে ডেঙ্গু ইউনিট ঘোষণা করা হয়েছে। রোগীদের তাও ফ্লোরে থাকতে হচ্ছে। এ অবস্থায় আমরা চতুর্থ তলাও ডেঙ্গু রোগীদের জন্য ব্যবহারের কথা ভাবছি।
আরও পড়ুন: ‘লক্ষ্মীপুরে কৃষকদল কর্মীর মৃত্যু রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড নয়’
বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুতে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হয়েছে পিরোজপুর। তিনজনের মৃত্যু হয়েছে বিভাগে। যারা সবাই উপজেলা পর্যায়ের।
শেরেবাংলা মেডিকেলে নতুন ৫৭ জন রোগী নিয়ে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা একশ’ ৫৫।
