ময়লা আবর্জনার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে মোহাম্মদপুরের রামচন্দ্রপুর খাল। পানির প্রবাহ বন্ধ থাকায় এটি এখন মশার প্রজননক্ষেত্র। কারও কারও মতে ডেঙ্গুর কারখানা! তার ওপর খালটি উদ্ধার করে খনন কাজ শুরু হলেও এখন সেটি থমকে আছে।
উত্তর সিটির যে কয়েকটি এলাকা থেকে হাসপাতালে বেশি রোগী যাচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম হলো মোহাম্মদপুর। এলাকাবাসী বলছেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ দূরে থাক, নবোদয় ও কাদেরাবাদ হাউজিংয়ের অনেকেই জানেন না এলাকার কাউন্সিলরের নাম।

মোহাম্মদপুর এলাকার রামচন্দ্রপুর খালের দুই পারে রয়েছে মোহাম্মদিয়া হাউজিং, নবোদয় হাউজিং, মোহাম্মদিয়া হোমসসহ বেশ কিছু বস্তি।
নবোদয় হাউজিংয়ের কাঁচাবাজার কালভার্টে গিয়ে দেখা গেছে সেখানে আর পানি নেই, ময়লার ভাগাড়ে পরিণত হয়েছে খালটি।
মোহাম্মদপুরের চারপাশ ঘিরে থাকা রামচন্দ্রপুর খালটির বেশিরভাগ অংশেরই এখন এই অবস্থা। খালজুড়ে ময়লার স্তূপ। বিকেলের পর খালের পাড়ে এক মুহূর্ত টেকা দায়।
স্থানীয়দের দাবি, অনেকদিন পর পর সিটি করপোরেশেনের লোকজন এসে মশার ওষুধ ছিটিয়ে চলে যায়। তবে সেই ওষুধে মশা মরে না। বরং খালের মশা এসে বাসায় ঢুকে পড়ে। এলাকায় ডেঙ্গু রোগীও বেড়েছে। কিন্তু স্থানীয় কাউন্সিলরের কোনো উদ্যোগ দেখছে না এলাকাবাসি।

একই পরিস্থিতি কাদেরাবাদ হাউজিংয়েও। ময়লা আবর্জনায় ভরা খাল। তার পাশেই বস্তি। বস্তির ঘরে ঘরে ডেঙ্গু রোগী। আক্রান্ত নিম্ন আয়ের মানুষ। এলাকাবাসির অভিযোগ, ভোটের আগে নানা প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে আর এলাকার খবর রাখেন না নতুন কাউন্সিলর।
আরও পড়ুন: ডেঙ্গুতে জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিবের মৃত্যু
উত্তর সিটির যে কয়টি এলাকায় ডেঙ্গুর উপদ্রব বেশি তার অন্যতম মোহাম্মদপুর। রামচন্দ্রপুর খাল পরিষ্কার করে মশার উপদ্রব কমাতে না পারলে, পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবার শঙ্কা এলাকাবাসির।
একাত্তর/এসি
