৬০ বিঘার বেশি কৃষিজমি রাখা যাবে না, নতুন আইন হচ্ছে
একাত্তর অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৮ আগস্ট ২০২৩, ১১:১৬ পিএমআপডেট : ২৮ আগস্ট ২০২৩, ১১:১৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
কোনো ব্যাক্তি ৬০ বিঘার বেশি কৃষি জমির মালিক হতে পারবে না- এমন বিধান রেখে নতুন একটি আইনের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। ১৯৮৪ সালের এ সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশের ধারাগুলো হালনাগাদ করতে নতুন এই আইন করতে যাচ্ছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘ভূমি সংস্কার আইন-২০২৩’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।
সভার পর সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ল্যান্ড রিফর্ম অধ্যাদেশের ধারাগুলো হালনাগাদ করে নতুন আইন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘যদি আপনার ৬০ বিঘা কৃষি জমি থাকে, তাহলে নতুন করে আর মালিকানা নিতে পারবেন না। সেটা আপনি উত্তরাধিকার সূত্রে হোক বা নিজের কেনা হোক, ৬০ বিঘার বেশি আপনি আর মালিকানা নিতে পারবেন না।
কারও ৬০ বিঘার বেশি কৃষি জমি থাকলে কী হবে- এ প্রশ্নের জবাবে মাহবুব হোসেন বলেন, আইনে যে ধারাটা সংযোজন করা হয়েছে, সেটা হল- ৬০ বিঘার অধিক আপনি নতুন কোনও মালিকানা নিতে পারবেন না। বলা হয়নি এখানে ৬০ বিঘার বেশি থাকলে আপনাকে ছেড়ে দিতে হবে।
তবে বিশেষ ক্ষেত্রে ৬০ বিঘার বেশি কৃষি জমি রাখার সুযোগ আইনে রাখা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
তিনি বলেন, এখানে বলা হয়েছে যে, বিশেষ ক্ষেত্রে এটি শিথিলযোগ্য, সে বিষয়গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে।
সমবায় সমিতির মাধ্যমে চা, কফি ও রাবার বাগান, ফলের বাগা,ন শিল্প প্রতিষ্ঠান বা কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম, রপ্তানীমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আইনটি শিথিল থাকবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, রপ্তানিমুখী শিল্প, কৃষি পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের ক্ষেত্রে যদি প্রয়োজন হয় এবং ওয়াকফ, দেবোত্তর বা ধর্মীয় ট্রাস্টের ক্ষেত্রে তার মালিকানাধীন ভূমির আয় ধর্মীয় কাজে ব্যবহার হলে তখনও ৬০ বিঘার বিষয়টি প্রযোজ্য হবে না।
তিনি বলেন, আগের আইনে বলা ছিলো ভূমি ব্যবস্থাপনার কোনো আইন যদি কেউ ভঙ্গ করে, তখন দুই হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছিলো। সেটি পরিবর্তন করে প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, আইন ভঙ্গ করলে এক লাখ টাকা বা এক মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এছাড়াও ‘বাণিজ্য সংগঠন (সংশোধন) আইন- ২০২৩’, ‘ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০২৩’, ‘নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক আইন-২০২৩’, ‘জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন আইন- ২০২৩’ ও ‘বাংলাদেশ পেটেন্ট আইন-২০২৩’র খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, যে আইনগুলোর চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে, সে আইনগুলোকে জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশের কৃষিকে একটি লাভজনক খাতে পরিণত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশের কৃষি এখন আর লাভজনক কোনো খাত নয়। কৃষিকাজ করে পর্যাপ্ত আয় না হওয়ায় শ্রমিকরা...
দেশের ৬৪টি জেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সার্বিক উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য ৩০ জন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং জাতীয় সংসদের হুইপকে বিশেষ...
ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) দিলীপ কুমার আগারওয়ালাকে আবারও গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে রাজধানীর বনানী এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার...
রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক খাতের শীর্ষ ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে সরকার। এর অংশ হিসেবে সোনালী, জনতা ও রূপালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের (সিইও)...
মাদকের বিষাক্ত ছোবলে বিপথে যাওয়া সন্তানের অত্যাচারে দেয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল পুরো পরিবারের। বুঝিয়ে, শাসন করে, কোনোভাবেই যখন ঘরোয়াভাবে শুধরানো যাচ্ছিল না, তখন আর কোনো উপায় না দেখে চরম এক কঠিন...
জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান মঙ্গলবার বিশ্ব অস্টিওপোরোসিস দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধবিষয়ক এক বৈজ্ঞানিক...
৬০ বিঘার বেশি কৃষিজমি রাখা যাবে না, নতুন আইন হচ্ছে
কোনো ব্যাক্তি ৬০ বিঘার বেশি কৃষি জমির মালিক হতে পারবে না- এমন বিধান রেখে নতুন একটি আইনের খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। ১৯৮৪ সালের এ সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশের ধারাগুলো হালনাগাদ করতে নতুন এই আইন করতে যাচ্ছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে সোমবার তার কার্যালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘ভূমি সংস্কার আইন-২০২৩’ এর খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।
সভার পর সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ল্যান্ড রিফর্ম অধ্যাদেশের ধারাগুলো হালনাগাদ করে নতুন আইন করা হচ্ছে।
তিনি বলেন, ‘যদি আপনার ৬০ বিঘা কৃষি জমি থাকে, তাহলে নতুন করে আর মালিকানা নিতে পারবেন না। সেটা আপনি উত্তরাধিকার সূত্রে হোক বা নিজের কেনা হোক, ৬০ বিঘার বেশি আপনি আর মালিকানা নিতে পারবেন না।
কারও ৬০ বিঘার বেশি কৃষি জমি থাকলে কী হবে- এ প্রশ্নের জবাবে মাহবুব হোসেন বলেন, আইনে যে ধারাটা সংযোজন করা হয়েছে, সেটা হল- ৬০ বিঘার অধিক আপনি নতুন কোনও মালিকানা নিতে পারবেন না। বলা হয়নি এখানে ৬০ বিঘার বেশি থাকলে আপনাকে ছেড়ে দিতে হবে।
তবে বিশেষ ক্ষেত্রে ৬০ বিঘার বেশি কৃষি জমি রাখার সুযোগ আইনে রাখা হয়েছে বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।
তিনি বলেন, এখানে বলা হয়েছে যে, বিশেষ ক্ষেত্রে এটি শিথিলযোগ্য, সে বিষয়গুলো চিহ্নিত করা হয়েছে।
সমবায় সমিতির মাধ্যমে চা, কফি ও রাবার বাগান, ফলের বাগা,ন শিল্প প্রতিষ্ঠান বা কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম, রপ্তানীমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে আইনটি শিথিল থাকবে।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, রপ্তানিমুখী শিল্প, কৃষি পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের ক্ষেত্রে যদি প্রয়োজন হয় এবং ওয়াকফ, দেবোত্তর বা ধর্মীয় ট্রাস্টের ক্ষেত্রে তার মালিকানাধীন ভূমির আয় ধর্মীয় কাজে ব্যবহার হলে তখনও ৬০ বিঘার বিষয়টি প্রযোজ্য হবে না।
তিনি বলেন, আগের আইনে বলা ছিলো ভূমি ব্যবস্থাপনার কোনো আইন যদি কেউ ভঙ্গ করে, তখন দুই হাজার টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছিলো। সেটি পরিবর্তন করে প্রস্তাবিত আইনে বলা হয়েছে, আইন ভঙ্গ করলে এক লাখ টাকা বা এক মাস বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, এছাড়াও ‘বাণিজ্য সংগঠন (সংশোধন) আইন- ২০২৩’, ‘ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়া কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় আইন-২০২৩’, ‘নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক আইন-২০২৩’, ‘জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন আইন- ২০২৩’ ও ‘বাংলাদেশ পেটেন্ট আইন-২০২৩’র খসড়ার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, যে আইনগুলোর চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে, সে আইনগুলোকে জাতীয় সংসদের আগামী অধিবেশনে উপস্থাপন করা হবে।
খবর বাসস।
বিষয়: