পাল্টাপাল্টি নিষেধাজ্ঞা চক্রের অবসান চান শেখ হাসিনা
বিশেষ প্রতিবেদক, একাত্তর
প্রকাশ : ২৯ আগস্ট ২০২৩, ০৬:৩২ পিএমআপডেট : ২৯ আগস্ট ২০২৩, ০৬:৪৮ পিএম
গণভবনে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী: ছবি: ইয়াসিন কবির জয়
নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বের দক্ষিণের দেশগুলো কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তা ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশ তুলে ধরেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার গণভবনে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দক্ষিণের দেশসমূহের উপর আরোপিত সিদ্ধান্ত, বিভাজনের নীতিকে না বলার এখনই সময়।
তিনি বলেন, সর্বজনীন নিয়ম ও মূল্যবোধকে অস্ত্রে পরিণত করার প্রচেষ্টাকে অবশ্যই প্রত্যাখ্যান করতে হবে। আমাদের নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার চক্র বন্ধ করতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, দক্ষিণের দেশসমূহের উপর আরোপিত কৃত্রিম সিদ্ধান্তের কারণে আর
ক্ষতিগ্রস্ত হতে রাজি নই। সর্বজনীন নিয়মের নামে আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়া অসম নীতিকে প্রত্যাখ্যান করার জন্য আমি দক্ষিণের দেশসমূহকে আহ্বান জানিয়েছি।
ইন্দোনেশিয়া, বেলারুশসহ বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে আলোচনা হওয়ার কথা উল্লেখ করে সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা বলেন, তার এই সফর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ ছিলো।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘যখন সারাবিশ্ব স্যাংশন, কাউন্টার স্যাংশনের নামে নানা ঝামেলায়, সেখানে একটা নতুন দুয়ার খুলে গেছে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছু সম্প্রসারণ করার জন্য সেটাই আমি মনে করি।’
বিপজ্জনক অস্ত্র প্রতিযোগিতায় সম্পদ অপচয় না করে বিশ্বব্যাপী জনসাধারণের জন্য পণ্য ও পরিষেবা প্রদানের জন্য আহ্বান সম্মেলনে জানানো হয়েছে বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।
বিশ্ব অর্থনীতির এক-চতুর্থাংশের নিয়ন্ত্রণকারী পাঁচ দেশের জোট ব্রিকসের সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর করেন শেখ হাসিনা।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুই ইনাসিও লুলা দা সিলভা জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে যোগ দেন।
ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেয়ার পাশাপাশি জোহানেসবার্গে বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।
২৩ অগাস্ট ‘বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড বিজনেস সামিট’ এ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। একই দিন আফ্রিকার দেশগুলোতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে ‘বাংলাদেশ এনভয় কনফারেন্সে’ বক্তব্য রাখেন।
দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষে রোববার সকালে ঢাকায় ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।
দেশের চলমান জ্বালানি সঙ্কট মোকাবিলা ও দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে ১৫০টি নতুন কূপ খননের বিশাল পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। ইতিমধ্যে ৩০টি কূপের খননকাজ শেষ হয়েছে এবং আরও সাতটি কূপের খনন চলমান রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি শুধু বহুদলীয় গণতন্ত্রই ফিরিয়ে আনেনি, সংসদীয় গণতন্ত্রও এ দলের হাত ধরে এসেছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার প্রতিটি নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকার রক্ষা ও জনগণের...
কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী অতিক্রম করার সময় সৌদি আরবের জাতীয় নৌপরিবহন সংস্থা 'বাহরি'র মালিকানাধীন একটি তেলবাহী সুপারট্যাঙ্কারে ইরানি সামরিক বাহিনী হামলা চালিয়েছে। সোমবার রাতের...
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার তীব্র সামরিক সংঘাতের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝেই চার বছরের মধ্যে প্রথমবার মধ্যপ্রাচ্য সফরে মিশর পৌঁছেছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বুধবার মিশরের রাজধানী কায়রোতে...
নিচ্ছক কোনো আনুষ্ঠিকতার নির্বাচন নয়, বরং তৃণমূল পর্যায়ে জনগণের অংশগ্রহণ ও জবাবদিহি নিশ্চিতে স্থানীয় সরকারব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী...
মাত্র এক দশক আগে ২০১৫ সালের ৭.৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উদ্ধারকারী সংস্থা ত্রাণ সহায়তায় ও ক্ষতি মূল্যায়নে যে ড্রোন প্রথম নেপালে নিয়ে এসেছিল, বুধবার স্থানীয় নেপালি...
পাল্টাপাল্টি নিষেধাজ্ঞা চক্রের অবসান চান শেখ হাসিনা
নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার কারণে বিশ্বের দক্ষিণের দেশগুলো কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, তা ব্রিকস সম্মেলনে বাংলাদেশ তুলে ধরেছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার গণভবনে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, দক্ষিণের দেশসমূহের উপর আরোপিত সিদ্ধান্ত, বিভাজনের নীতিকে না বলার এখনই সময়।
তিনি বলেন, সর্বজনীন নিয়ম ও মূল্যবোধকে অস্ত্রে পরিণত করার প্রচেষ্টাকে অবশ্যই প্রত্যাখ্যান করতে হবে। আমাদের নিষেধাজ্ঞা ও পাল্টা নিষেধাজ্ঞার চক্র বন্ধ করতে হবে।
শেখ হাসিনা বলেন, দক্ষিণের দেশসমূহের উপর আরোপিত কৃত্রিম সিদ্ধান্তের কারণে আর
ক্ষতিগ্রস্ত হতে রাজি নই। সর্বজনীন নিয়মের নামে আমাদের উপর চাপিয়ে দেয়া অসম নীতিকে প্রত্যাখ্যান করার জন্য আমি দক্ষিণের দেশসমূহকে আহ্বান জানিয়েছি।
ইন্দোনেশিয়া, বেলারুশসহ বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানের সঙ্গে আলোচনা হওয়ার কথা উল্লেখ করে সরকারপ্রধান শেখ হাসিনা বলেন, তার এই সফর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত ফলপ্রসূ ছিলো।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘যখন সারাবিশ্ব স্যাংশন, কাউন্টার স্যাংশনের নামে নানা ঝামেলায়, সেখানে একটা নতুন দুয়ার খুলে গেছে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য সবকিছু সম্প্রসারণ করার জন্য সেটাই আমি মনে করি।’
বিপজ্জনক অস্ত্র প্রতিযোগিতায় সম্পদ অপচয় না করে বিশ্বব্যাপী জনসাধারণের জন্য পণ্য ও পরিষেবা প্রদানের জন্য আহ্বান সম্মেলনে জানানো হয়েছে বলে উল্লেখ করেন শেখ হাসিনা।
বিশ্ব অর্থনীতির এক-চতুর্থাংশের নিয়ন্ত্রণকারী পাঁচ দেশের জোট ব্রিকসের সম্মেলনে যোগ দিতে দক্ষিণ আফ্রিকা সফর করেন শেখ হাসিনা।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা, ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুই ইনাসিও লুলা দা সিলভা জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে যোগ দেন।
ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেয়ার পাশাপাশি জোহানেসবার্গে বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী।
২৩ অগাস্ট ‘বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড বিজনেস সামিট’ এ প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শেখ হাসিনা। একই দিন আফ্রিকার দেশগুলোতে নিযুক্ত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতদের নিয়ে ‘বাংলাদেশ এনভয় কনফারেন্সে’ বক্তব্য রাখেন।
দক্ষিণ আফ্রিকা সফর শেষে রোববার সকালে ঢাকায় ফেরেন প্রধানমন্ত্রী।
বিষয়: