এশিয়া কাপের সুপার ফোরে বড় রান তাড়া করতে গিয়ে বড় হার হারলো পাকিস্তান। ৩৫৭ রানের লক্ষে মাত্র ১২৮ রানেই গুটিয়ে যায় বাবর আযমদের ইনিংস।
এদিন বল হাতে পাকিস্তানের ব্যাটিং ওর্ডার একই ধসিয়ে দিয়েছেন কুলদীপ নায়ার। আট ওভার বল করে ২৫ রান দিয়ে তুলে নিয়েছে পাঁচটি উইকেট।
পাকিস্তানের ব্যাটারদের মধ্যে এদিন সর্বোচ্চ রান করেন ফখরজামান (২৭)। এছাড়া সালমান ও ইফতেখার করেছেন ২৩ রান করে। আর চতুর্থ ব্যাটার হিসেবে দুই অঙ্কের স্কোর ছুয়েছেন বাবর আযম (১০)।
এদিন কুলদীপ ছাড়া বুমরাহ, শার্দুল ও হার্দিক একটি করে উইকেট নিয়েছেন। তবে ইঞ্জুরিরর কারণে নাসিম শাহ ও হারিস রউফ ব্যাট করেননি।
সাদাবের পর ইফতেখারকেও ফেরালেন কুলদীপ
ভারতীয় বোলাদের আক্রমণে হালে পানি পাচ্ছে না পাকিস্তানের ব্যাটাররা। বড় রান তাড়া করতে গিয়ে তারা রীতিমতো ধুঁকছে। ২৩ ওভার শেষে সালমানের বিদায়ের পর একই পথে হেঁটেছেন সাদাব খানও। ১০ বল খেলে ছয় রান যোগ করেই ধরা পড়েন শার্দুলের হাতে।
এদিকে ২৯ দশমিক তিন বলেন কুলদীপকে সজোরে মারতে গিয়ে কট অ্যান্ড বোল্ড হন ইফতেখার আহমেদ। ৩৫ বল খেলে এই ডানহাতি ব্যাটার করেছেন ২৩ রান। আর সাত ওভার বল করে কুলদীপ নায়ার এ পর্যন্ত নিয়েছেন চার উইকেট।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাকিস্তানের সংগ্রহ ৩০ ওভারে সাত উইকেট হারিয়ে ১১৯ রান।
এলেন আর গেলেন সাদাব, শিকারি সেই কুলদীপ
ভারতীয় বোলাদের আক্রমণে হালে পানি পাচ্ছে না পাকিস্তানের ব্যাটাররা। বড় রান তাড়া করতে গিয়ে তারা রীতিমতো ধুঁকছে। ২৩ ওভার শেষে সালমানের বিদায়ের পর একই পথে হেঁটেছেন সাদাব খানও। ১০ বল খেলে ছয় রান যোগ করেই ধরা পড়েন শার্দুলের হাতে।
ফখরের পর সালমানকে ফেরালেন কুলদীপ
এশিয়া কাপে সুপার ফোরে ভারতীয় বোলাদের আক্রমণে রীতিমতো ধুঁকছে পাকিস্তানের ব্যাটাররা। ১৯ দশমিক দুই ওভারে কুলদীপকে উড়িয়ে মারতে গিয়ে ক্লিন বোল্ড হন একপাশ আগলে থাকা ফখরজামান (২৭)।
এরপর ইফতেখারকে নিয়ে সবে থিতু হয়েছিলেন আগা সালমান। জাদেজার বলে মুখে চোট খাওয়ার পর শেষ আঘাতটা দিয়েছেন সেই কুলদীপ। স্ট্যাম্পের ওপর একটি ফ্লিপার ডেলিভারি লেগে সুইপ করতে গিয়ে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন তিনি। যদিও রিভিউ নিয়েছিলেন, তবুও তা কাজে আসেনি। ৩২ বলে ২৩ রান করে ফেরেন তিনি।
বর্তমানে ইফতেখারের সঙ্গে ব্যাট করছেন সাদাব। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাকিস্তানের সংগ্রহ ২৭ ওভার শেষে পাঁচ উইকেট হারিয়ে ১০৮ রান।

ওভার কাটছাট ছাড়াই খেলা শুরু, শার্দুলের শিকার রিজওয়ান
বৃষ্টি যেন কোমর বেঁধে নেমেছে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে। রোববার থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে কয়েক দফা বর্ষণের পর আবারও মাঠে বল গড়ালো। তবে পাকিস্তানের ইনিংস শুরু পর বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ থাকলেও এবারও কোনো ওভার কাটছাট ছাড়াই খেলা শুরু হলো।
আম্পায়ার ক্রিস গ্যাফানি ভারতীয় দলের কাছে এ বার্তা পৌঁছে দেন। আর পাকিস্তানের ড্রেসিং রুমে বার্তাটি পৌঁছে দেন আম্পায়ার রুচিরা পালিয়াগুরুগে।
এদিকে খেলা শুরু পরই ভারতীয় পেসার শার্দুল ঠাকুরের বলে সাজঘরে ফিরেছেন পাকিস্তানের আরেক টপওর্ডার মোহাম্মদ রিজওয়ান। তিনি প্যাভিলিয়নের পথ ধরেছেন মাত্র দুই রান করে।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাকিস্তানের সংগ্রহ ১২ ওভারে তিন উইকেট হারিয়ে ৪৭ রান।
টিকলেন না বাবর আযম, আবারও বৃষ্টি বাগড়া
বড় রান তাড়া করতে গিয়ে শুরুতেই বুমরার ইন-আউট সুইংয়ে নাস্তানাবুদ পাক শিবির। শুরুতেই ফিরেছেন ইমামুল হক। এরপর পাক ব্যাটিং লাইনআপে সবচেয়ে বড় ভরসার নাম বাবর আযমের ইনিংসটিও বড় হলো নাা। ২৪ বল মোকাবিলা করে মাত্র ১০ রান করে হার্দিকের বলে বোল্ড হয়ে সাজ ঘরে ফেরেন তিনি। এরপর মাঠে এসেছে পাক ব্যাটিং লাইনআপের আরেক স্তম্ভ মোহাম্মদ রিজওয়ান। আর এক প্রান্ত আগলে রেখেছেন ফখর জামান।

এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাকিস্তানের সংগ্রহ ১১ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে ৪৪ রান। তবে আবারও বাগড়া দিয়েছে বৃষ্টি। আম্পায়ার খেলা আপাতত বন্ধ রেখেছেন।

পাওয়ার প্লেতে ইমামকে হারালো পাকিস্তান
রিজার্ভ ডে’তে কোহলি-রাহুলের ব্যাটিং দেখতে দেখতে পাকিস্তানের লক্ষ্য দাঁড়িয়েছে ৩৫৭। বড় এ লক্ষ্যকে তাড়া করতে গিয়ে শুরুতেই হোঁচট খেয়েছে পাকিস্তান।
চার দশমিক দুই ওভারে বুমরার করা অফ স্ট্যাম্পের খানিকটা বাইরের একটি বল খোঁচা দিয়ে দ্বিতীয় স্লিপে দাঁড়িয়ে থাকা শুভমন গিলের হাতে ধরা পড়েন ইমামুল হক। ১৮ বল খেলে ৯ রান করে সাজঘরে ফেরেন তিনি।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাকিস্তানের সংগ্রহ ছয় দশমিক চার ওভারে এক উইকেট হারিয়ে ২১ রান। চার রানে ব্যাট করছেন ফখরজামান।বাবর আযম অবশ্য এখনও রানের খাতা খুলতে পারেননি।

কোহলি-রাহুলের ব্যাটে বড় সংগ্রহ ভারতের
বৃষ্টির কারণে রোববার ব্যাটিং থামাতে হলেও বিরাট কোহলি ও লোকেশ রাহুলের ছন্দ পতনের কারণ হয়নি। সোমবার রিজার্ভ-ডে’তে পাকিস্তানি বোলারদের বিপক্ষে মারমুখী খেলেই ভারতকে বড় সংগ্রহ এনে দিয়েছেন তারা।
বিরাটের ১২২ ও রাহুলের ১১১ তে ভারতের সংগ্রহ ৩৫৬। জিততে হলে পাকিস্তানকে করতে হবে ৩৫৭ রান। দুই দলের মুখোমুখি লড়াইয়ে এটাই সর্বোচ্চ স্কোর। ২০০৫ সালে নিজেদের মাঠে ৯ উইকেটে ৩৫৬ রান করেছিলো ভারত।
শ্রীলংকার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে এশিয়া কাপের ১৬তম আসরের ৯ম ম্যাচে মুখোমুখি হয় দুই চির প্রতিদ্বন্দ্বী দল ভারত-পাকিস্তান। টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তান।

বৃষ্টির কারণে ২৪ ওভারের বেশি খেলা সম্ভব হয়নি রোববার। সোমবার ম্যাচের বাকি অংশ অনুষ্ঠিত হয়।
রোববার বৃষ্টির আগে ২৪.১ ওভারে ২ ওপেনারের উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান করে ভারত। ২৮ বলে ১৭ আর ১৬ বলে ৮ রানে অপরাজিত আছেন লোকেশ রাহুল ও বিরাট কোহলি।

রিজার্ভ ডে’তে ভারতের ওপর তেমন চাপ সৃষ্টি করতে পারেনি পাকিস্তান। তুলে নিতে পারেনি কোনো উইকেট। শুরু থেকেই সাবলীল ব্যাটিং করতে থাকেন আগের দিন ২৪ রানের জুটি গড়া রাহুল ও কোহলি। এদিন শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে অবিচ্ছিন্ন ২৩৩ রানের জুটি গড়েই দলকে বড় পুঁজি এনে দেন এ দুই ব্যাটার।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
ভারত: ৫০ ওভারে ৩৫৬/২ (রোহিত ৫৬, শুভমান ৫৮, কোহলি ১২২*, রাহুল ১১১*; শাহীন ১০-০-৭৯-১, নাসিম ৯.২-১-৫৩-০, ফাহিম ১০-০-৭৪-০, হারিস ৫-০-২৭-০, শাদাব ১০-১-৭১-১, ইফতিখার ৫.৪-০-৫২-০)।
