ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়া ও সৌদি আরবের তেল উত্তোলন কমানোর পর থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়তে শুরু করেছিল অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম। এ পরিস্থতিতে গেলো বৃহস্পতিবার তেলের দাম চলতি বছরে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড এবং ইউএস ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারন্যাশনাল (ডব্লিউটিআই) উভয়ের দামই বেড়েছে।
এদিন প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুড বিক্রি হয়েছে ৯৩ দশমিক ৭০ ডলারে এবং প্রতি ব্যারেল ডব্লিউটিআই বিক্রি হয়েছে ৯০ ডলারে। যা ২০২২ সালের নভেম্বরের তুলনায় প্রতি ব্যারেলে যথাক্রমে ১ দশমিক ৮২ ডলার এবং ১ দশমিক ৬৪ ডলার বেড়েছে।
ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি বলছে, বিশ্বের শীর্ষ দুই তেল রফতানিকারক দেশ সৌদি আরব এবং রাশিয়ার তেল উৎপাদন কমানোর ফলে বাজারে আরও ঘাটতি দেখা দেবে।
সৌদি-রাশিয়ার নাম উল্লেখ না করে জ্বালানির বাজার বিশ্লেষণকারী সংস্থা পিভিএমের কর্মকর্তা তামাস ভারগা বলেন, এ পরিস্থিতি অস্বাভাবিক। এটি পরিকল্পিত কৌশল এবং এটি যারা করছে, তারা আসলে বাজার নিয়ে খেলছে।
আরেক বিশ্লেষণকারী সংস্থা অ্যাগেইন ক্যাপিটাল বলছে, অর্থনীতির প্রাণচাঞ্চল্যের কারণে নয় বরং সরবরাহের সংকট থেকেই জ্বালানির বাজারে এই চাঙাভাব এসেছে।
সংস্থাটির অভিযোগ, রাশিয়া ও সৌদি আরব এই সংকটের জন্য দায়ী। দেশ দু'টি এমন এক সময়ে তেলের উত্তোলন হ্রাসের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যখন শীতের কারণে আর কিছুদিনের মধ্যেই পশ্চিমা দেশগুলোতে তেলের চাহিদা বৃদ্ধি পাবে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর ফলে বিশ্বের একাধিক দেশে মুদ্রাস্ফীতি ও নতুন করে জ্বালানি সংকট দেখা দেবে। এ ঘটনায় নতুন করে বিপাকে পড়তে পারে ইউরোপীয় দেশগুলো।
ভারতের সাথে ‘বাণিজ্য মিশন’ স্থগিত করলো কানাডা