ইউরোপীয় ইউনিয়নের আগামী নির্বাচনে পর্যবেক্ষক না পাঠানোর সিদ্ধান্তে শঙ্কিত জাতীয় পার্টি। দেশে বড় ধরনের সংঘাত হতে পারে বলেও মনে করছেন দলটির চেয়ারম্যান জি এম কাদের। বৃহস্পতিবার পেশাজীবী সংগঠনের নেতাদের জাতীয় পার্টিতে যোগ দেয়ার অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
নির্বাচনের পরিবেশ দেখতে গেলো কয়েক মাসে ইইউ’র প্রতিনিধিরা বাংলাদেশ সরকারের প্রতিনিধি, নির্বাচন-সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনৈতিক নেতা, সুশীল সমাজ এবং গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করে।
সেই বৈঠকগুলো শেষে আগামী জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সংঘাতের শঙ্কার পাশাপাশি নির্বাচনের পরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে সংস্থাটি। বিষয়টি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠিও দিয়েছে সংস্থাটি।
ইইউ’র এ সিদ্ধান্তে শঙ্কা জানিয়েছে সংসদের বিরোধীদল।
জাপা চেয়ারম্যান বলেন, সরকার গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে একদলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েম করেছে।
জি এম কাদের বলেন, ‘সরকার ক্ষমতায় না থাকতে পারলে তাদের বিরাট দুর্গতি হবে, এমন আশঙ্কায় বিরোধী দলের সাথে সহিংসতায় জড়াতে পারে। দুই দলই মাঠে নামলে বড় ধরনের সহিংসতা হতে পারে। দেশও জাতি এমন অবস্থায় ধ্বংসের পথে চলে যেতে পারে। দায়িত্বশীল যারা আছেন, তাদের এ নিয়ে চিন্তা করা উচিত।
এসময় আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টি এককভাবে নির্বাচনে অংশ নেবে, তাই নেতাকর্মীদের প্রস্তুত থাকার আহবান জানান তিনি।
এদিকে, ইইউ তাদের চিঠিতে নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে কোনো শঙ্কার কথা জানায়নি বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব জাহাঙ্গীর আলম।
তিনি বলেন, আমাদের প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ইইউ চিঠি পাঠিয়েছে। চিঠিতে কোন শঙ্কার কথা উল্লেখ নেই। শুধু তারা অবহিত করেছেন পূর্ণাঙ্গ দল পাঠাবেন না।
বিএনপির কর্মসূচি নিয়ে ভাবছে না আওয়ামী লীগ, লক্ষ্য সুষ্ঠু নির্বাচন