লন্ডনের সেন্ট্রাল হল ওয়েস্টমিনস্টারে চলছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নাগরিক সংবর্ধনার প্রস্তুতি। আগামী ২ অক্টোবর সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সংবর্ধনা সফল করতে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা প্রায় প্রতিদিনই সভা-সমাবেশ করছেন পূর্ব লন্ডনে।
যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি সুলতান মাহমুদ শরীফ ও দলের যুক্তরাজ্য শাখার সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক জানালেন, প্রায় দুই হাজারের বেশি ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হলে প্রধানমন্ত্রীর নাগরিক সংবর্ধনার প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।
যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক বলেন, যেখানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রো, সেখানেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কাজেই শেখ হাসিনা শুধু বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নন, তিনি বিশ্বনেতা। আমরা প্রধানমন্ত্রীকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাবো।

লন্ডনে অবস্থান করা সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনোয়ারুজ্জামন চৌধুরী একাত্তরকে জানালেন জাতীয় নির্বাচনের আগে প্রধানমন্ত্রীর যুক্তরাজ্য সফরের রাজনৈতিক গুরুত্বের কথা।
আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি প্রবাসীরা উৎফুল্ল, যেহেতু আগামী জানুয়ারিতে নির্বাচন। তাই এটি একটি বিশেষ আয়োজন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর লন্ডন সফরকে কেন্দ্র করে যুক্তরাজ্য বিএনপি দুইদিনের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশের ডাক দিয়েছে। তবে যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি এম এ মালেক প্রধানমন্ত্রীর চায়ের দাওয়াত গ্রহণে রাজি হলেও দলীয় চেয়ারপারসনের মুক্তির দাবির শর্ত জুড়ে দিয়েছেন।

এম এ মালিক বলেন, সোমবার ও মঙ্গলবার দুইদিন আমরা কর্মসূচি পালন করবো। উনি (প্রধানমন্ত্রী) যদি কোনো ফরেন অফিস বা সরকারি কোনো অফিসে যান আমরা সেখানে কর্মসূচি পালন করবো।
এদিকে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা সুলতান মাহমুদ শরীফ বলেন, বেশি লাফালাফি যেন অন্যরা না করেন, তাহলে তাদের রক্ষা করবার জন্য কোনো আমেরিকার সাহায্য কাজে লাগেনি, সেটা অতীতে প্রমাণ হয়েছে।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে যোগ দেশে ফেরার পথে চারদিনের লন্ডনের এই যাত্রা বিরতির সময়কালে যুক্তরাজ্যের শীর্ষ রাজনৈতিক দলের নেত্রীবৃন্দের সাথে/প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
এর আগে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৮তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে পৌঁছান।
প্রধানমন্ত্রী ২৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনের উদ্দেশে ওয়াশিংটন ডিসি ত্যাগ করবেন এবং ৩ অক্টোবর পর্যন্ত লন্ডনে অবস্থান করবেন।
সফর শেষ করে প্রধানমন্ত্রীর ৪ অক্টোবর ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
জনগণের ক্ষমতায়নের জন্য তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন করা হয়েছে : প্রধানমন্ত্রী