গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ওপর হামলা এবং ভাঙচুরের ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শনিবার রাতে আনসার সদস্য আকরাম হোসেন বাদি হয়ে চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনসহ ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত আরও ২০-২৫ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন।
কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফায়েজুর রহমান জানান, চেয়ারম্যানসহ ১৫ জনের নামে আনসার সদস্য আকরাম বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলার আসামিরা পলাতক রয়েছেন। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

ইউএনও আজিজুর রহমান জানান, চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে যাওয়া বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অনেক যানবাহন নিয়ে উপজেলা কমপ্লেক্সের ভেতর ঢুকে পড়েন। এসময় তাদের গাড়ি নিয়ে ঢুকতে নিষেধ করা হয়। এরপরও নির্মাণাধীন গেট ভেঙে বিপুলসংখ্যক অটোরিকশা, মোটরসাইকেল, লেগুনা ইত্যাদি ভেতরে ঢুকে পড়ে। এতে বাধা দিলে তারা অফিসে ইট পাটকেল নিক্ষেপ ও নিচতলায় ও দোতলায় ভাঙচুর করা হয়।
তিনি বলেন, এক পর্যায়ে চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেনের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা আমাকে হেনস্তা করেন। এসময় আমাকে রক্ষায় এগিয়ে এলে পাঁচ জনকে মারধর করে আহত করা হয়।
আহতরা হলেন- ইউএনও’র গাড়ি চালক রুবেল, অফিস সহায়ক আনোয়ার, আনসার সদস্য আকরাম, বিআরডিপির সহকারী হিসাবরক্ষক লিটন, শিক্ষার প্রোগ্রামার উজ্জ্বল। তাদের মধ্যে আনসার সদস্য হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
পাবনায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষের গোলাগুলিতে আহত ১১