২৮ অক্টোবর: বিএনপি চায় চূড়ান্ত আন্দোলন, নাশকতা রুখতে প্রস্তুত আ. লীগ

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২৩, ০৫:৫৩ পিএম

২৮ অক্টোবর সরকার পতনের আন্দোলনকে চূড়ান্ত রূপ দিতে চায় বিএনপি। আর আওয়ামী লীগ চায় আন্দোলনকারীদের সম্ভাব্য নাশকতা ঠেকাতে। তবে একই দিনে দু’দলের সমাবেশকে নিয়ে জনমনে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা; কারণ ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর। সেদিন রাজপথে দুই দলের মুখোমুখি অবস্থানকে কেন্দ্র করে ঘটেছিলো সংঘর্ষ।

২৮ অক্টোবর সরকার পতনের এক দফা নিয়ে বিএনপির ঢাকায় মহা সমাবেশের কর্মসূচির সাথে মিলিয়ে জামায়াতসহ কয়েকটি দল একই দিন কর্মসূচি নিয়ে মাঠে থাকার কথা জানিয়েছে। একই দিনে আওয়ামী লীগও কর্মসূচী দিয়েছে সহিংসতা প্রতিরোধের। নির্বাচনকালীন সরকারের ৯০ দিন শুরুর আগ মুহূর্তে এই কর্মসূচি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে সব মহল। কী হবে ২৮ অক্টোবর?

বিএনপির ঢাকায় বসে পড়া বা আল্টিমেটামের ঘোষণা নতুন নয় বলছেন সরকার দলীয় নেতারা। দেশের মানুষের বিএনপি জামাতের এই ঘোষণায় কোন কৌতূহল নেই বলে মন্তব্য করেন তারা।

আলোচনার সব রাস্তা ক্ষমতাসীন দল বন্ধ করেছে বলে মনে করে বিএনপি। নেতারা বলেন ২০১৪ সালে লোক দেখানো আলাপ সফল হয়নি বরং নির্বাচন একটি তামাশায় পরিণত হয়েছে।

আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন বিএনপি নামক দলটি এখন মাহুত ছাড়া পাগলা হাতি। বিএনপিকে বিশ্বাস করা যায় না, মন্তব্য করে জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন ১৫ বছরে তারা নানা ধরনের ষড়যন্ত্র করে ব্যর্থ হয়েছে।

দুই কোটি মানুষের এই শহরে রাস্তা বন্ধ করে বসে পড়লে জনজীবন বিপর্যস্ত হবে। তবে দুই দলই তাদের কর্মসূচি বিষয়ে অনড়।

 

একাত্তর/আরএ

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তার কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন বলেছেন, তারুণ্যের ক্ষমতায়ন মানেই বর্তমান সরকারের ক্ষমতায়ন। তরুণদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে দেশে দক্ষ ও যোগ্য জনশক্তি গড়ে তুলতে...
দেশের কোনো পেট্রোল পাম্পে জ্বালানি তেলের সংকট নেই বলে জানিয়েছে পেট্রোল পাম্প মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।
জাল টাকা সংক্রান্ত মামলার এক আসামি জামিনে মুক্ত হয়ে আদালতে হাজিরা দিতে এসে আবারও বিপুল পরিমাণ জাল টাকাসহ গ্রেপ্তার হয়েছেন। 
আগামী বছরের প্রথম দিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর