গাজা শহরের নগরীর দক্ষিণাঞ্চলীয় জেইতুন এলাকার আল ফালাহ স্কুলে ইসরাইলের বোমা হামলা নিহত হয়েছেন ২০ জন। আহত হয়েছেন আরও ১০০ জন। শুক্রবারের ওই স্কুলে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা আশ্রয় নিয়েছিলেন। শুক্রবার জেইতুন এলাকার এই হামলা চালায় ইসরাইলের বিশেষ বাহিনী আইডিএফ।
এছাড়া, এদিন গাজার উত্তরাঞ্চলীয় ইন্দোনেশিয়ান হাসপাতালে ১২০টি মরদেহ আনা হয়েছে। এসব মরদেহ গাজা ও উত্তর গাজার গভর্নরেট এলাকা থেকে এসেছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ। খান ইউনুসে আরেক দফায় হামলায় শিশুসহ মারা গেছে আরও ২৬ জন।
প্যালেস্টাইন টিভি থেকে প্রচারিত এক খবরে এসব কথা বলা হয়েছে। এই খবরের ব্যাপারে ইসরাইলের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। প্যালেস্টাইন টিভি হলো পশ্চিম তীরের রামাল্লাহভিত্তিক ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের অনুমোদিত একটি টেলিভিশন চ্যানেল।
দক্ষিণ থেকেও সরে যাবার নির্দেশ
এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, উত্তর গাজায় স্থল হামলার প্রেক্ষাপটে গাজার অধিবাসীদের দক্ষিণে সরে যেতে বলেছিল ইসরাইল। এবার দক্ষিণ গাজা থেকেও সরতে বলছে। শুক্রবার এক বিবৃতিতে এ নির্দেশ জারি করেন ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী। এতে করে গাজায় হামলা আরও বিস্তৃত হতে পারে।
ইসরাইলি সেনাবাহিনী থেকে সেখানে অবরুদ্ধ গাজার সাধারণ ফিলিস্তিনিদের দক্ষিণের শহর খাজা ইউনিস ত্যাগ করার নির্দেশনা দেয়। তেল আবিবের স্থল অভিযানের সামনের লক্ষ্য ওই এলাকা। অবশ্য দেশটি আগ থেকেই বলে আসছিলো তাদের লক্ষ্য অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত গাজা ছেড়ে যাবে না।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সহকারী মার্ক রেগেভ গণমাধ্যমকে বলেন, আমরা জানি সাধারণ মানুষের স্থানান্তরিত হওয়া সহজ নয়। তবুও আমরা তাদের সেখান থেকে সরে যেতে বলেছি। আমরা চাই না ক্রসফায়ারে বেসামরিক কেউ মারা যাক।
এর আগে উত্তর গাজায় হামলার আগে সেখানকার বাসিন্দাদের দক্ষিণে সরে যেতে বলা হয়। ওই সময় কয়েক হাজার ফিলিস্তিনি দক্ষিণে পালিয়ে আসে। পালানোর সময় বিমান হামলায় শতশত ফিলিস্তিনিকে হত্যা করা হয়েছে। খান ইউনিসে চার লাখেরও বেশি মানুষের বসবাস।
এ শহরসহ দক্ষিণের অন্যান্য এলাকায় নিয়মিত বিমান বর্ষণ করে মানুষ হত্যা করেছে আইডিএফ। গেলো দেড় মাসে গাজা উপত্যকায় প্রায় ১২ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইল। যার মধ্যে প্রায় সাড়ে ৭ হাজার শিশু ও নারী। এছাড়া আহতের সংখ্যা ত্রিশ হাজারের কাছাকাছি।
গাজায় নিহতের সংখ্যা ১২ হাজার ছাড়ালো
মরুর বুকে ভারী বৃষ্টি, দুবাইয়ের রাস্তায় পানি