বরগুনা-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন আওয়ামী লীগেরই তিন নেতা। অন্য দলের তেমন কোনো জনপ্রিয়তা না থাকায় হেভিওয়েট চার নেতার লড়াইয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ভোট হবে বলে মনে করছেন নেতারা। আর ভোটাররা বলছেন, এবার আর কোনো মৌখিক আশ্বাসে ভোট দেবেন না তারা। যিনি প্রতিশ্রুতি পূরণের সত্যিকার আশ্বাস দেবে, তার প্রতিই রায় দেবেন তারা।
বরগুনা জেলা সদর, আমতলী আর তালতলী উপজেলা নিয়ে সংসদের আসন বরগুনা-১। এখানে আওয়ামী লীগে সব সময়ই লেগে থাকে দলীয় কোন্দল, এ কারণে নির্বাচন এলেই দলের মনোনয়ন চান একাধিক নেতা।
এবারও বর্তমান এমপি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর ওপরই ভরসা রেখেছে আওয়ামী লীগ।
তবে তার বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন একই দলের আরও তিন নেতা গোলাম সরোয়ার টুকু, খলিলুর রহমান ও গোলাম সরোয়ার ফোরকান।
এই তিন প্রাথীর কারণে বেকায়দায় পরেছেন নৌকার প্রার্থী। প্রার্থীরা বিভিন্ন পথসভা ও গণসংযোগ করছেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের অভিযোগ, আওয়ামী লীগ প্রার্থীর সমর্থকদের অব্যাহত হুমকিতে ভীত সন্ত্রস্ত সাধারণ ভোটাররা।

তবে সংসদ সদস্য হয়েও নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়ন না করার প্রতিপক্ষের অভিযোগ মানতে রাজি নন নৌকার প্রার্থী ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর। তার দাবি, সাধ্যমত সব উন্নয়ন করেছেন তিনি। উন্নয়ন প্রসঙ্গ ছাড়াও ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুর বিরুদ্ধে নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ এনেছেন অপর দুই স্বতন্ত্র প্রার্থী।
গোলাম সরোয়ার টুকু বলেন, বরগুনার মানুষ পরিবর্তন চায়। বরগুনা জেলাকে স্মার্ট বরগুনা গড়তে ভোট যুদ্ধে সামিল হয়েছি।
গোলাম ছরোয়ার ফোরকান বলেন, গত ১৫ বছর সারাদেশের উন্নয়ন হলেও বরগুনা-১ আসনের তেমন উন্নয়ন হয়নি। অনুন্নত বরগুনাকে উন্নয়ন করতেই ভোট যুদ্ধে অবর্তীর্ণ হয়েছি।
ভোটাররা বলছেন, এবার তারা ভোট দেবেন চাওয়া-পাওয়ার হিসেব মিলিয়ে। এই চার হেভিওয়েট প্রার্থী ছাড়াও বরগুনা-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আরো ছয়জন প্রার্থী। তবে ভোটের লড়াইয়ে তাদের খুব একটা প্রভাব নেই।
বিয়ে নয়, নির্বাচনে করতেই আনন্দ বেশি: শামীম ওসমান