বাংলাদেশের লক্ষ্য সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। কোন দেশ কি ভাবছে তা নিয়ে চিন্তিত নয় ঢাকা বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডিপ্লোম্যাটিক করেসপনডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের (ডিক্যাব) সাথে হওয়া আলোচনায় এ মন্তব্য করেন তিনি।
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ৭ জানুয়ারি সারাদেশে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বাংলাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন হবে। তাই আগে থেকে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে চিন্তার কিছু নেই। তারপরও কোনো দেশ নিষেধাজ্ঞা দিলে তা মোকাবেলা করবে বাংলাদেশ।
নিজেরা ঠিক থাকলে, সবাই ভোট দিতে গেলে এবং সংঘাতমুক্ত নির্বাচন হলে চিন্তার কিছু নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, ভোটাভুটি বিদেশিদের খুশি করার জন্য নয়। ভোট গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। কোন দেশ কি ভাবলো তা আমরা বিবেচনা করবো না।
আসছে দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে ৩৫টি দেশ পর্যবেক্ষক পাঠানোর জন্য আগ্রহ জানিয়েছে এবং প্রতিবেশীসহ বেশ কিছু দেশের সাংবাদিকরাও আসছেন নির্বাচনকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরতে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, কিন্তু নির্বাচনে দলগুলোর অংশগ্রহণ নিয়ে কয়েকটি দেশ পূর্বে দৌড়ঝাঁপ করলেও এখন তারা অনেকটাই নীরব।
এর আগে গত ২৪ মে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের জন্য একটি নতুন ভিসা নীতি ঘোষণা করে। ঘোষণা অনুযায়ী, নির্বাচনে কারচুপি, ভীতি প্রদর্শন এবং নাগরিক ও গণমাধ্যমের বাকস্বাধীনতায় যারা বাধা দেবে, তাদের বিরুদ্ধে মার্কিন ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেয়া হতে পারে।
এ প্রসঙ্গে সচিব বলেন, ব্যক্তি বিশেষের ওপর ভিসা নীতি আসতে পারে, এটি বাংলাদেশের বিপক্ষে নয়।
বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক পরিস্থিতির বিষয়ে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, বিশ্বের দেশগুলো নানা ভাগে বিভক্ত। দেশগুলো ঐক্য ধরে রাখতে পারছে না। এটি আন্তর্জাতিক কমিউনিটির ব্যর্থতা। আমরা কখনোই বিশেষ কোনো দেশ বা গোষ্ঠীর সাথে ঢালাওভাবে যাইনি। আমাদের অর্থনীতির অনেক দেশের থেকে ভালো। আমরা চেষ্টা করে যাচ্ছি সকলের সাথে সুসম্পর্ক রাখতে।
তিনি আরও বলেন, মিয়ানমার এবং ভারত আমাদের প্রতিবেশী। আমরা নানা রকম শঙ্কার মধ্যে থাকি। কিন্তু উন্নয়ন আমাদের মূল লক্ষ্য। সব ধরনের যুদ্ধের বিরুদ্ধে আমরা।
ভোট নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র আছে: শেখ হাসিনা
৭ জানুয়ারি সাধারণ ছুটি ঘোষণা