সামরিক জান্তা নিয়ন্ত্রিত মিয়ানমারে সরকারি বাহিনী ও বিদ্রোহীদের মধ্যে ব্যাপক গোলাগুলির পর চৌকি ছেড়ে পালিয়ে এ পর্যন্ত দেশটির আধাসামরিক বাহিনী বর্ডার গার্ড পুলিশের (বিজিপি) অন্তত ১০৬ জন সদস্য অস্ত্রসহ বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাদেরকে নিরস্ত্রীকরণ করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়েছে বলে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবি জানিয়েছে।
সীমান্তের ওপারে বন্দুকযুদ্ধ চলায় বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ছুটে আসা লক্ষ্যভ্রষ্ট মর্টার শেল বা বুলেটের ভয়ে সীমান্তবর্তী বান্দরবান জেলা প্রশাসন পাঁচটি স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে। বিজিবি স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তার জন্য বাড়ির ভেতরে থাকতে বা সাবধানে চলাচল করতে বলেছে।
বিজিবি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সীমান্তের অন্য প্রান্ত থেকে পাওয়া খবরে বলা হয়েছে যে সেনা হেলিকপ্টার থেকে বিদ্রোহীদের ওপর গুলিবর্ষণের কারণে ব্যাপক হতাহত হয়েছে।
স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্যসহ সীমান্তবর্তী গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, শনিবার রাতে এবং রোববার মায়ানমারের সীমান্তের দিক থেকে আসা বন্দুকযুদ্ধের শব্দ সীমান্তের গ্রামের বাসিন্দাদের আতঙ্কিত করে তোলে।
দেশটির সীমান্তবর্তী রাখাইন অঞ্চলে সক্রিয় বিদ্রোহী আরাকান আর্মির যোদ্ধাদের ও সরকারী বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের খবরে বাংলাদেশ মিয়ানমারের সাথে তার সীমান্তে কঠোর নিরাপত্তা নজরদারির নির্দেশ জারি করেছে। মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের ত্রি-বিন্দু থেকে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত ২৭১.০ কিলোমিটার (১৬৮.৪ মাইল) সীমান্ত রয়েছে।
মিয়ানমারের মর্টারশেলের আঘাত বাংলাদেশে, নিহত দুই
বিজিপি সদস্যদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার যোগাযোগ করেছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
বিজিবিকে ‘ধৈর্য ধরার নির্দেশ’ প্রধানমন্ত্রীর