রোজায় টিসিবির মাধ্যমে এক কোটি পরিবারে ছয়টি পণ্য (চাল, তেল, চিনি, ডাল, খেজুর ও ছোলা) দেওয়া হবে। পণ্যগুলো যেন সঠিকভাবে মানুষের হাতে পৌঁছায়, তা তদারকি করতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) নির্দেশান দিয়েছেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু।
সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে ডিসিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী বছর থেকে ট্রাকে টিসিবির পণ্য বিক্রি না করে স্থায়ী দোকানের মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। রোজার আগেই ভারত থেকে এক লাখ মেট্রিক টন চিনি এবং ৫০ লাখ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আসবে। এর প্রভাব বাজারে পড়বে।
তিনি বলেন, এক কোটি পরিবরকে পণ্য দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনা। টিসিবির বর্তমান তালিকাটা ২০২০ সালে করোনার সময় করা। এই তালিকাটা আপডেট করার জন্য ডিসিদের নির্দেশ দিয়েছি। তারা যেন আগামী দুই মাসের মধ্যে সংযোজন ও পরিবর্তন করে পরিপূর্ণ একটি তালিকা দেয়।
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে জেলা প্রশাসকেরা কী ভূমিকা রাখতে পারেন সে বিষয়েও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বাজার মনিটরিং চলছে। পণ্যের সরবরাহ ঠিক আছে। ক্রেতারা দাম বৃদ্ধির মুখে পড়বেনা, যোগ করেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী।
পেঁয়াজের দাম নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, কৃষি পণ্য উৎপাদন হয়ে, কৃষকরা যদি মূল্য পায় তাহলে উৎপাদন বাড়বে। আমরা মাঠপর্যায়ে তদারকি করছি, এবার হাটগুলোতে ৮০-১০০ টাকার মধ্যে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে। যা গত বছর অর্ধেক ছিল। এটা ঠিক। কিন্তু কৃষকরা যদি একটু ভালো দাম পায়, আগামী বছর এই সময় উৎপাদন দ্বিগুণ হবে। এটা আপনারা লিখে রাখতে পারেন। কারণ কৃষকরা তাহলে উৎসাহিত হবে। অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়ায় পেঁয়াজের দামটা একটু বেশি।
রোজায় ৬০০ টাকায় গরু, ৯০০ তে খাসির মাংস বিক্রি করবে টিসিবি 