ফাইভ জির দ্বার খুললো

আপডেট : ১১ মার্চ ২০২৪, ১০:০৮ পিএম

দেশের তিন মোবাইল অপারেটরকে একীভূত লাইসেন্সের আওতায় এনেছে বিটিআরসি। ফলে এখন থেকে তারা একই লাইসেন্সের আওতায় ফাইভজিসহ সব ধরনের সেবা দিতে পারবে। নির্দিষ্ট কোনো প্রযুক্তিসেবার জন্য আর কোনো লাইসেন্সের দরকার হবে না বলেও জানানো হয়।

সোমবার গ্রামীণফোন, রবি ও টেলিটকের হাতে এই লাইসেন্স তুলে দেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

ঢাকার আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ভবনের প্রধান সম্মেলন কক্ষে ওই অনুষ্ঠানে পলক বলেন, একীভূত লাইসেন্সের ফলে মোবাইল অপারেটরগুলোর উচিত হবে নিজেদেরকে ডিজিটাল কোম্পানিতে পরিণত করা। একইসাথে অপারেটরগুলোকে গবেষণায় বিনিয়োগের পাশাপাশি দেশীয় উদ্ভাবন ও রপ্তানীতে ভূমিকা রাখার পরামর্শ দেন তিনি। এসময় বিটিআরসি চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, এই লাইসেন্সে ভর করেই স্মার্ট বাংলাদেশ তৈরি হবে।

বর্তমানে দেশে ফোর জি প্রজন্মের তারবিহীন সেবা দিচ্ছে অপারেটরগুলো। এর আগে ফাইভ জির প্রস্তুতির অংশ হিসেবে বিভিন্ন কার্যক্রম হাতে নেয়া হয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি ও অপারেটরগুলোর দিক থেকে।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, একীভূত লাইসেন্সে ফাইভজির ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত তরঙ্গের প্রাপ্যতা ও ‘ব্যাকহল ফাইবারের’ পাশাপাশি ‘পাবলিক ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ ব্যবহারের অনুমতি, অফশোর ক্লাউড সুবিধা, ‘রোল আউট’ বাধ্যবাধকতা ও নেটওয়ার্ক নিরাপত্তার মতো বিষয়গুলো বিবেচনায় নেয়া হয়।

 ‘রেগুলেটরি অ্যান্ড লাইসেন্সিং’ নীতিমালার আলোকে অপারেটরগুলোকে ‘সেলুলার মোবাইল সার্ভিসেস অপারেটর লাইসেন্স’ এবং ‘রেডিও কমিউনিকেশন্স অ্যাপারেটাস লাইসেন্স ফর সেলুলার মোবাইল সার্ভিসেস’ এর আওতায় এই একীভূত লাইসেন্স দেয়া হয়।

এর আগে গত ৬ ফেব্রুয়ারি ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ রেগুলেটরি অ্যান্ড লাইসেন্সিং গাইডলাইন্স ফর সেলুলার মোবাইল সার্ভিসেস ইন বাংলাদেশ শীর্ষক গাইডলাইনটি অনুমোদন দেয়।

একীভূত লাইসেন্স দেয়ার এ সিদ্ধান্ত টেলিযোগাযোগ খাতে ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনবে মন্তব্য করে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, টেলিকম খাতে যত পরিবর্তন ও উন্নয়ন তা প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ এর দিক নির্দেশনা ও পরামর্শে হয়েছে। বিটিআরসির সময়োপযোগী সিদ্ধান্তে বর্তমানে টেলিযোগাযোগ খাতে ১৯ কোটি মোবাইল গ্রাহক এবং প্রায় ১৩ কোটি ইন্টারনেট গ্রাহক রয়েছে।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, একীভূত বা ইউনিফাইড লাইসেন্স পাওয়ার পর অপারেটরগুলোর ফাইভ জি বা এর চেয়ে উন্নততর প্রযুক্তির তারবিহীন সেবা দিতে আর কোনো লাইসেন্সের প্রয়োজন হবে না।

পরে বিটিআরসি এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, দেশে ১৯৯৬ সালে প্রথমবারের মতো টুজি লাইসেন্স দেয়া হয়, যা ২০১১ সালে ১৫ বছরের জন্য নবায়ন করার সুযোগ দেওয়া হয়। ওই নবায়নের মেয়াদ ২০২৬ সাল পর্যন্ত রয়েছে। ২০১৩ সালে চারটি মোবাইল অপারেটরকে ২০২৮ সাল পর্যন্ত মেয়াদে থ্রিজি লাইসেন্স দেয়া হয়। পরে ২০১৮ সালে এটির মেয়াদ ২০৩৩ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। বর্তমানে এসব লাইসেন্সের আওতায় দেশে সেলুলার মোবাইল সেবা দিচ্ছে অপারেটরগুলো।

কেএসএইচ
দেশে প্রথমবারের মতো বাণিজ্যিকভাবে পঞ্চম প্রজন্মের প্রযুক্তি বা ফাইভ-জি সেবা চালু করলো মোবাইল অপারেটর রবি। আপাতত ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের প্রায় সাতটি স্থানে এই সুবিধা পাওয়া যাবে।
এক টেবিলে-এক মঞ্চে বসে দেশের দুটি বেসরকারী মোবাইল অপারেটর নিজেদের মধ্যে নেটওয়ার্ক শেয়ারিংয়ের চুক্তি করছে, এমন চমক দিয়েই পালিত হলো বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস। 
পদ্মা সেতুর ওপর দিয়ে দেশের দক্ষিণাঞ্চলে দ্রুতগতির ফাইভ জি ইন্টারনেট সেবা পৌঁছে দিতে বহুল প্রতীক্ষিত অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপনের চুক্তি সই হয়েছে। 
টেলিটককে একটি বিশেষ সাশ্রয়ী অফার ঐতিহাসিক ৭ মার্চে চালুর নির্দেশ দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। একইসাথে তিনি গ্রাহক সেবার মানোন্নয়নে কাজ করারও পরামর্শ দেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে ফ্যাসিবাদ বিরোধী যুগপৎ আন্দোলনে শরিক নেতাদের উদ্দেশ্য বলেছেন, আমরা অতীতে একসাথে ছিলাম, আছি এবং একসাথেই থাকবো।
স্বাক্ষরিত জুলাই সনদ অক্ষরে অক্ষরে পালন করবে বিএনপি সরকার। যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের এমনটিই জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বিশ্বকাপের ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে স্পেনের মহাকাব্যিক জয় শুধু একটি ঐতিহাসিক ট্রফি অর্জন আর রূপকথার গল্প নয়, এটি ছিল ফুটবলের এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজংশে ব্যাটন হস্তান্তরের স্মারক। ফুটবল...
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের রোমাঞ্চকর ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ইনজুরি টাইমে ফেরান তোরেসের অবিশ্বাস্য গোল স্প্যানিশ ফুটবলে নতুন ইতিহাস লিখেছে। ২০১০ সালে আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার সেই ঐতিহাসিক জয়ের পর দেশকে...
লোডিং...
সর্বশেষপঠিত

এলাকার খবর