বাংলাদেশের জাতীয় নারী ফুটবল দলকে মিয়ানমারে যাওয়ার অনুমতি দেয়নি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এপ্রিলের ফিফা উইন্ডোতে মাঠে নামা হচ্ছে না সাবিনা সানজিদা মনিকাদের। মিয়ানমারের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতার পাশাপাশি রোহিঙ্গা ও সীমান্ত ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে পরিস্থিতি খানিকটা উত্তপ্ত। সেই কারণেই মেলেনি সবুজ সংকেত।
বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের ২৭১ কিলোমিটার সীমান্তের একটি বড় অংশই জলভাগ। নাফ নদীতে বিভক্ত দুই দেশের জলসীমা। বছরের পর বছর ধরে অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করেছে। ২০১৭ সালে মিয়ানমারে গণহত্যা ও নিপীড়নের সময় নাফ নদী দিয়ে লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
আরাকানে গৃহযুদ্ধ শুরু হবার পর সেই প্রবণতা আবার বেড়েছে। গেল মাসে মিয়ানমার-বাংলাদেশ সীমান্তের পরিস্থিতি নিয়ে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ।
মিয়ানমার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে, ধৈর্য ধরে আন্তর্জাতিক সুসম্পর্ক বজায় রেখে পরিস্থিতি মোকাবেলার চেষ্টা চলছে। আর তাই অস্থির এই সময়ে নারী দলকে মিয়ানমার যাওয়ার অনুমতি দেয়নি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
এপ্রিলে নারী ফিফা উইন্ডো। এই সময় বাফুফে দেশেই দু'টি ম্যাচ আয়োজন করতে চেয়েছিলো। রমজানের জন্য মধ্যপ্রাচ্যের কোনো দেশ আসতে রাজি হয়নি। তাই মিয়ানমারে গিয়ে খেলার পরিকল্পনা করেছে বাফুফে। ৯ ও ১১ই এপ্রিল চূড়ান্ত করা হয়েছিলো ম্যাচের দিনক্ষণ। মিয়ানমার ফুটবল ফেডারেশন বাংলাদেশ দলকে অন অ্যারাইভাল ভিসার নিশ্চয়তা দিয়েছে। সেই কারণে বিমান টিকিটও নিশ্চিত করে বাফুফে।
কিন্তু পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সবুজ সংকেত না মেলায় এপ্রিলের ফিফা উইন্ডোতে মাঠে নামা হচ্ছে না সাবিনা সাজিদা কৃঞ্চার।
আইসিসি এলিট প্যানেলে প্রথম বাংলাদেশি আম্পায়ার সৈকত