স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার নিয়ে বাজেট ঘোষণা করতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগ সরকার।
এবারের বাজেট হতে যাচ্ছে ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকার। যাতে থাকছে ৫ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয়ের লক্ষ্য অর্জনের কঠিন চ্যালেঞ্জ।
আড়াই লাখ কোটি টাকার বেশি ঘাটতির এই বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য সাড়ে ৬ শতাংশ।
মূল্যস্ফীতির যাতাকলে পিষ্ট সাধারণ মানুষ। ডলারের দামে হঠাৎ উল্লম্ফন আর চড়া ব্যাংক সুদের অস্বস্তিতে ব্যবসায়ীরা। ব্যাংক খাতে লাগামহীন খেলাপী ঋণ আর রিজার্ভ সংকটতো আছেই।
অভ্যন্তরীণ এমন ত্রিমুখী সংকটের মধ্যেই বাজেট পেশ করতে যাচ্ছে টানা চতুর্থ মেয়াদে ক্ষমতায় থাকা আওয়ামীলীগ সরকার। নতুন অর্থমন্ত্রী আবুল হোসেন মাহমুদ আলীর প্রথম বাজেটের আকার ৭ লাখ ৯৭ হাজার কোটি টাকা। যা চলতি বাজেটের চেয়ে ৮২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বেশি।
বাজেটে রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ ৪১ হাজার কোটি টাকা। এরমধ্যে এনবিআরের লক্ষ্যমাত্রা ৪ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা। রাজস্ব বর্হিভূত কর ১৫ হাজার কোটি টাকা। কর বহির্ভুত নানা ফি, জরিমানা ও সুদ থেকে আসবে ৪৬ হাজার কোটি টাকা। তারপরও ঘাটতি মেটাতে অর্থমন্ত্রীকে ধারদেনা করতে হবে ২ লাখ ৫৬ হাজার কোটি টাকা। যা প্রায় ২ লাখ ৬৫ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন বাজেটের সমান।
ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ খাত থেকে ঋণ নেয়া হবে ১ লাখ ৬০ হাজার ৯শ কোটি টাকা। এরমধ্যে ব্যাংক থেকে নেয়া হবে ১ লাখ ৩৭ হাজার ৫০০ কোটি টাকা,সঞ্চয়পত্র থেকে ১৫ হাজার ৪শ কোটি টাকা আর বিদেশি ঋণ ৯০ হাজার ৭শ কোটি টাকা।
‘সুখী সমৃদ্ধ উন্নত ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের অঙ্গীকারের’ বাজেটে করমুক্ত আয়সীমা আগের মতো সাড়ে ৩ লাখ টাকাই থাকছে।
ঘুরতে ফিরতে, কথা বলতেও গুণতে হবে টাকা!