বৃষ্টি কমায় উন্নতির পথে সিলেটের বন্যা পরিস্থিতি। যদিও এখনো পাঁচ পয়েন্টে নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়েই প্রবাহিত হচ্ছে।
আগামী তিন দিনের মধ্যে এই অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।
তবে বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও এসব এলাকার মানুষের দুর্ভোগ কমেনি। দেখা দিয়েছে খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানির সঙ্কট।
সিলেট শহরে সুরমা নদীর পানি কমে বর্তমানে বিপৎসীমার তিন সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে ১০.৭৭ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বিভিন্ন বাসা বাড়ি থেকে নামতে শুরু করেছে পানি।
তবে সিলেট শহর এলাকার ড্রেন, ছড়া,খাল পরিষ্কার না থাকা এবং এক ড্রেনের সাথে অন্য ড্রেনের সংযোগ না থাকায় পানি নামছে না। ড্রেনের ময়লা উপরে উঠে এসে সৃষ্টি হয়েছে দুর্গন্ধময় পরিবেশের। বিভিন্ন বাসা বাড়িতে জমে আছে ময়লা পানি।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, ভারতের চেরাপুঞ্জিতে বৃষ্টি কম হওয়ায় উন্নতি হয়েছে সিলেটের নদীর পানিপ্রবাহের। তবে এখনো সুরমা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছে।
কুশিয়ারা নদীর পানি আমলশীদ পয়েন্টে কিছুটা কমে বিপৎসীমার ১৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে বইছে। সারি, ডাউকি, গুয়াইন ধলাইসহ গোয়াইনঘাটের সব নদীর পানিও বিপৎসীমার নিচে চলে এসেছে।
তবে ত্রান না পাওয়ার অভিযোগ সাধারণ মানুষের। মিলছে না শিশুদের জন্য খাদ্যে।
সিলেটে প্রায় সাড়ে ১০ লাখ মানুষ এখনো দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। অপরদিকে সুনামগঞ্জে সাড়ে আট লাখের বেশি মানুষ বন্যাকবলিত।
মুসলিম দেশ তাজিকিস্তানে নিষিদ্ধ হলো হিজাব