পিরোজপুরে একটি সর্বজনীন কালী মন্দির ও প্রতিমা ভাঙচুরে এক ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যানকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।
রোববার মন্ত্রণালয়টির সিনিয়র সহকারী সচিব পূরবী গোলদারের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানা গেছে।
ওই ইউপি চেয়ারম্যানের নাম শহিদুল ইসলাম হাওলাদার। তিনি সদর উপজেলার শিকদার মল্লিক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলেন।
২০১৮ সালের সাত জুলাই ওই ইউনিয়নের পাঁচপাড়া বাজারে থাকা কালী মন্দিরে ভাঙচুর চালানো হয়। পরে ওই বছরের সাত অক্টোবর ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে পিরোজপুর সদর থানায় মামলা করা হয়।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, চেয়ারম্যান শহীদুল ইসলাম হাওলাদারের বিরুদ্ধে মামলার অভিযোগপত্র পিরোজপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত গ্রহণ করায় এবং পিরোজপুরের জেলা প্রশাসকের সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে শহিদুল ইসলাম হাওলাদারকে চেয়ারম্যান পদ থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন, ২০০৯-এর ৩৪(১) ধারা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

পিরোজপুর জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) সরদার ফারুক আহম্মেদ জানান, মন্দির ভাঙচুরের ঘটনায় মামলার পর পুলিশ তদন্ত শেষে ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম হাওলাদারসহ তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে শহীদুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালত চার্জ গঠন করেন। তিনি বেশ কিছুদিন জেলহাজতে থাকার পর জামিনে মুক্তি পান। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছিল।
রথযাত্রায় গুরুতর আহত দুই জন বগুড়া থেকে ঢাকায়