খুলনার গল্লামারী বাজারে নিহত পুলিশ সদস্যর মৃত্যু নিশ্চিত করা পর্যন্ত অপেক্ষা করে দুর্বৃত্তরা। এরই মধ্যে তাদের চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। দিনভর শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনের পর ছাত্রদের মধ্যে সাবেক শিবির নেতা, বর্তমানে জামায়াতের রোকন রফিকসহ ঢুকে পড়েছিলো দুর্বৃত্তরা। স্থানীয় প্রশাসনের অভিযোগ, তারাই পরিকল্পিতভাবে এই সহিংসতা করেছে।
শুক্রবার দিনভর শান্তিপূর্ণ ছিল খুলনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি। বিকেলের দিকে ছাত্রদের মধ্যে ঢ়ুকে পড়ে সংঘাত উসকে দেওয়া একটি দল। এসময় ছাত্ররা পুলিশ ও সংঘাতকারীদের মধ্যে দাঁড়িয়ে পরিস্থিতি শান্ত করারও চেষ্টা করেন।

এসময়ই কর্মসূচিতে দেখা যায় নব্বই দশকের খুলনা কমার্স কলেজের ছাত্রশিবিরের নেতা রফিককে। যিনি বর্তমানে জামায়াতের রোকন। কমার্স কলেজের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র সমাজের সমম্বয়ক রাফজানের পিতাও তিনি। শুরু থেকেই খুলনার আন্দোলনের সবগুলো স্পটে তাকে দেখা গেছে এভাবেই। শুরু হয় পুলিশ ও দুর্বৃত্তদের মধ্যে সংঘর্ষ ।

সন্ধ্যা ছয়টার দিকে কর্মসূচিই শেষ হওয়ার পরেই আন্দোলনকারীর মধ্য থেকে মুখে মাস্ক পরা এবং গামছা দিয়ে মুখ ঢেকে রাখা একদল যুবক গল্লামারি এলাকায় পুলিশ সদস্য সুমন কুমার ঘরামীর ওপর হামলে পরে। মৃত্যু নিশ্চিত করার পরই সন্ত্রাসীরা ওই এলাকা ছেড়ে যায় ।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোজাম্মেল হোসেন বলেন, হামলাকারীদের চিহ্নিত করা গেছে। শুক্রবার আন্দোলনের শুরুতে ছাত্ররাই ছিল। আমরা পরে দেখলাম, বেশ কিছু সন্ত্রাসী ছাত্রদের মধ্যে ঢুকে পড়েছে।

দীর্ঘ একমাস ধরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি চললেও হঠাৎ করেই পুলিশ হত্যায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে খুলনাবাসী।
