ছাত্র-জনতার আন্দোলন ঘিরে জুলাই ও আগস্টে সংগঠিত গণহত্যার এমন বিচার করা হবে, যেন দেশে-বিদেশে কেউ প্রশ্ন তুলতে না পারে। একইসাথে চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের বিচার আগে করা হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম।
মঙ্গলবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, ঢাকার চাঞ্চল্যকর ও নির্মম হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে আগে। এছাড়া অগ্রাধিকার রয়েছে রংপুরের সাঈদ হত্যাকাণ্ডের বিচার।
তিনি জানান, এ পর্যন্ত ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশনে ৯টি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিপ্লব করতে গিয়ে অনেকে শহিদ হয়েছেন, অনেকে নানা অঙ্গ হারিয়েছেন। তাই তাদের প্রতি জাতির একটা দায়বদ্ধতা আছে। বিচারটা দ্রুত করতে হলে তদন্ত সংস্থার কাছে, প্রসিকিউশনের কাছে তথ্যগুলো আসা খুবই জরুরি। আমাদের তদন্ত সংস্থাকে ওই অপরাধের তথ্য-উপাত্ত বের করতে হবে।
তিনি বলেন, বিচার হওয়া সত্ত্বেও গোটা বিশ্ব থেকে কেউ যেনো বলতে না পারে যে বিচারটা আগের মতোই একটা অবৈধ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে হয়েছে। সেই কারণে এখন সরকারের কাছে অনুরোধ করছি, যেন ট্রাইব্যুনাল দ্রুত পুনর্গঠন করা হয়।
দ্রুততম সময়ে ট্রাইব্যুনালে বিচারক নিয়োগের দাবি করে তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা ও প্রসিকিউশন টিমের কার্যক্রম চলমান থাকলেও ট্রাইব্যুনালে বিচারপতি না থাকায় বিচার কার্যক্রম থমকে আছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. আবু আহমেদ জমাদার গত ১৩ জুলাই অবসরে যান। অন্য এক সদস্য বিচারপতি হাইকোর্টে ফিরে গেছেন। ফলে, বর্তমানে ট্রাইব্যুনালে কোনো বিচারপতি নেই।
নিবন্ধন পেলো গণসংহতি আন্দোলন, প্রতীক মাথাল