চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রদলকর্মী মতিউর রহমানের হত্যার প্রায় সাড়ে ৯ বছর পর আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য ও র্যাব কর্মকর্তাসহ ২৭ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে নিহতের বড় ভাই মো. জেম আলী বাদী হয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ আমলি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন।
আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন বাদির আইনজীবী মো.কবির হোসেন।
তিনি জানান, ২০১৫ সালের ১৪ জানুয়ারি বাজিতপুর গ্রামের মৃত উনসাহাক আলীর ছেলে মতিউর রহমানসহ আরও কয়েকজনকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিচয়ে চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরদিন সকালে মোবারকপুর এলাকার খড়কপুর গ্রামের একটি বেগুন খেতে গুলি করে হত্যা করা হয় তাকে।
এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম রাব্বানী ও তার দলীয় লোকজন এবং তৎকালীন চাঁপাইনবাবগঞ্জ র্যাব ক্যাম্পের মেজর কামরুজ্জামানসহ মোট ২৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। আশা করছি আদালতে আমরা ন্যায় বিচার পাবো।
অন্যদিকে নিহতের বড় ভাই ও মামলার বাদী মো. জেম আলী জানান, সাদা পোশাকধারীরা আমার ভাইসহ পাঁচ জনকে তুলে নিয়ে গিয়ে শুধুমাত্র হজরত ও শ্যামলকে থানায় হস্তান্তর করলেও আমার ভাইসহ তিন জনকে গুম করে তারা। পরে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।
তিনি জানান, সে সময় থানায় মামলা করতে গিয়েও ব্যর্থ হওয়ায় এখন পরিস্থিতি অনুকূলে আসায় মামলা করতে বিলম্ব হয়েছে।
তিনি বলেন, ক্রসফায়ারের নামে আর যেনো এমন বিচারবহির্ভূত ঘটনা আর না ঘটে সেজন্য ভাইয়ের হত্যাকারীদের বিচার চাই।
গতি ফিরেছে চট্টগ্রাম বন্দরে, বেড়েছে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং