মুন্সীগঞ্জে পরীক্ষা দিতে আসা সদ্য নিষিদ্ধ ঘোষিত সাবেক ছাত্রলীগ কর্মীদের সঙ্গে ছাত্রদল ও সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আহত হয়েছেন অন্তত ১০ জন। তাদের জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এসময় পুলিশ ছাত্রলীগের ৯ কর্মীকে আটক করেছে। আটকরা পরীক্ষা দিলেও আহতরা দিতে পারেন নাই।
রোববার (৫ জানুয়ারি) দুপুরে মুন্সীগঞ্জের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে এই ঘটনা ঘটে।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির অধ্যক্ষ মো. মিজানুর রহমান জানান, রোববার সকাল আটটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত অষ্টম সেমিস্টারের তিনটি বিভাগের এবং অন্য সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন বিভাগের মৌখিক পরীক্ষা ছিলো। এতে অংশ নিতে ক্যাম্পাসে আসেন সাবেক ছাত্রলীগের কর্মীরা। তাদের আগমনকে ঘিরে দুপুর ১২টার দিকে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। শেষ পর্যন্ত তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরিস্থিতি মোকাবেলায় তারা ব্যর্থ হলে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা এসে তা নিয়ন্ত্রণ করে। এই ঘটনায় আহত বেশ কয়েকজনকে মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অধ্যক্ষ জানান, দ্বিতীয়, চতুর্থ এবং ষষ্ঠ সেমিস্টারের ৯ পরীক্ষার্থীকে সেনাবাহিনী আটক করে নিয়ে গেছে। এই ৯ জন আজকে পরীক্ষা দিলেও ছাত্রলীগের অষ্টম সেমিস্টারের আহত শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারেনি। যেহেতু এটা ফাইনাল পরীক্ষা, তাই এক বছর পর আবারও তাদের পরীক্ষা দিতে হবে।
মুন্সীগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) সজিব দে জানান, আটকদের থানা হাজতে রাখা হয়েছে। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আবু সাঈদ হত্যা: বোরোবির ৭১ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে কঠিন সিদ্ধান্ত