তারেক রহমানের লন্ডনের কিংষ্টসের বাসায় রেখে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার পরবর্তী চিকিৎসা দেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন।
তিনি জানান, হাসপাতাল থেকে খালেদা জিয়াকে ছুটি দিতে শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) রাতে বাসায় ফিরতে পারেন। বাসায় গেলেও ডা. প্যাট্রিক ক্যানেডি ও ডা. জেনিফার ক্রসের তত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলবে।
যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ১০টায় (বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৪টা) দ্য ক্লিনিকের সামনে এক ব্রিফিংয়ে এ কথা তিনি। এ সময় অন্য চিকিৎসক ও যুক্তরাজ্য বিএনপির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এসময় ডা. জাহিদ জানান, বাসায় থেকে তিনি যেন চিকিৎসা নিতে পারেন, চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য যাতে সুবিধা হয় সে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
তিনি জাননা, বৃহস্পতিবার নতুন করে আরও কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা দেওয়া হয়েছে। শুক্রবার সেসব রিপোর্ট পাওয়া গেলে খালেদা জিয়ার ছুটি হতে পারে।
ডাক্তার জাহিদ বলেন, শুক্রবার উনার ছুটি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদি ডাক্তাররা উনাকে ছুটি দেন। আজকেও একজন চিকিৎসক উনার পরীক্ষা করার জন্য লিখেছেন। সে পরীক্ষাগুলো আমরা কাল করাবো। রিপোর্টে যদি সব ঠিক থাকে তাহলে সন্ধ্যার দিকে উনাকে ছুটি হওয়ার সম্ভাবনা আছে।
ডা. জাহিদ আরও বলেন, গত ১৭ দিনে বেশ কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করানো হয়েছে। দুই একটি রিপোর্ট এখনও আসেনি। কয়েকটি পরীক্ষা এখানেও হয় না। সেগুলো বাহির থেকে করাতে হয়। খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে আগের চেয়ে অনেকটা বেটার আছেন।
খালেদা জিয়ার লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্তে আসা যায়নি জানিয়ে তিনি বলেন, উনার লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করার বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্তে আসা যায়নি। কারণ উনার বয়সটা একটা বিবেচ্য বিষয়। তাছাড়া জেলে রেখে উনাকে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তখন উনাকে বিদেশে নিয়ে আসা গেলে আরও হয়ত দ্রুত সুস্থ করা যেতো। এখন আমাদের চিকিৎসকদের বক্তব্য হচ্ছে আগে হলে হয়ত উনার লিভার ট্রান্সপ্লান্ট করা যেতো।
জাহিদ আরও বলেন, ওষুধের মাধ্যমে উনার যে চিকিৎসা চলছে তা অব্যাহত রাখার জন্য সব চিকিৎসকরা একমত এবং সে অনুযায়ী চিকিৎসা চলবে।
