ঢাকার ধামরাইয়ে দিন দুপুরে সাবেক এক ইউপি সদস্যকে দুই চোখ উপড়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এসময় তার স্ত্রীকেও মারধর করেছে হামলাকারীরা।
শুক্রবার জুমার নামাজের সময় ধামরাইয়ের কুল্লা ইউনিয়নের মাকুলিয়া গ্রামের আরশিনগর হাউজিং এর ভেতরে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত বাবুল হোসেন (৫০) ধামরাইয়ের কুল্লা ইউনিয়নের মাকুলিয়া গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে। তিনি যুবদল কর্মী ও কুল্লা ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের দুইবারের সাবেক ইউপি সদস্য।
নিহতের স্ত্রী ইয়াসমিন আক্তার বলেন, আমার স্বামী আজকে জুমার নামাজের পরে সরিষা গাছে মলন দিতে যাওয়ার পর স্থানীয় আফসার, আরশাদ, মনিরসহ আরও কয়েকজন ধারালো অস্ত্র ও লোহার রড দিয়ে হামলা চালায়। এসময় তারা আমার স্বামীকে কুপিয়ে দুই চোখ উপড়ে ফেলে এবং মাথা থেঁতলে দেয়।
তিনি দাবি করেন, তার স্বামী ১২বছর মেম্বার থাকার সময় কখনও কোনো অন্যায় কাজে জড়িত ছিলেন না। অন্যায়ের প্রতিবাদ করায় তাকে হত্যা করা হয়েছে।
নিহতের ভাতিজা মোমিন হাসান বলেন, আমার চাচা ও চাচি কৃষি কাজ করতেন। সকাল থেকে তারা ওই হাউজিং এর ভেতরে সরিষার গাছ শুকাচ্ছিলেন। নামাজের সময় আমার চাচি বাসায় খাবার আনতে যান। তিনি ফিরে এসে দেখেন হামলাকারীরা আমার চাচাকে কুপিয়ে রক্তাক্ত করেছেন। পরে তিনি পাশের মসজিদে এসে জানালে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে চাচাকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেলে নিলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
আকশিরনগর হাউজিং কোম্পানির মালিক তৌহিদ বলেন, এমন ঘটনা আমিও শুনেছি। তবে কে বা কারা তাকে মেরেছে বিষয়টি এখনও জানতে পারিনি।
এনাম মেডিকেলের ইমার্জেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. ইজাজ বলেন, বিকেল সোয়া তিনটার দিকে বাবুল হোসেন নামে একজনকে আমাদের এখানে আনা হয়। তার মাথায় আঘাত ছিলো। পরে ইসিজি করে মৃত ঘোষণা করা হয়।
ধামরাই থানার পরিদর্শক (ওসি) মনিরুল ইসলাম বলেন, হত্যাকাণ্ডের খবর আমরা পেয়েছি। নিহতের মরদেহ সাভারের এনাম মেডিকেলে রয়েছে। আমিসহ কয়েকটি টিম কাজ শুরু করেছি। বিষয়টি আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখছি।
খিলগাঁওয়ে স-মিলে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে আট ইউনিট