ঈদ সামনে রেখে এবার একটু আগেভাগেই রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে নগরবাসী। সকাল থেকেই ঢাকার বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড ও কাউন্টার ঘুরে দেখা যায়, ঈদের ভিড় এড়াতে চাকরিজীবীদের অনেকেই পরিবারের সদস্যদের বাড়ি পাঠিয়ে দিচ্ছেন। এখন পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া আদায়ের কোনো অভিযোগ ওঠেনি। তবে ঈদের দু'একদিন আগের টিকেটের বেলায় কিছুটা বেশি গুনতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন কেউ কেউ।
নীলার কোলে আদরের বিড়াল মিনি। নীলার চোখে বাড়ি ফেরার উচ্ছ্বাস। আর মিনির চোখে যেন কিছুটা অজানা ভয়। ঈদের ছুটিতে সড়ক মহাসড়কে চিরচেনা দুর্ভোগ এড়াতে কিছুটা আগেভাগেই বাড়ির পথে নেমেছেন তারা।
রাজধানীর বাসস্ট্যান্ড, কাউন্টার ও রেল স্টেশনে এখনও ঈদের চাপ তৈরি হয়নি। কাউন্টারগুলোও অনেকটাই ফাঁকা। ঈদের শেষ মুহূর্তের দুর্ভোগ থেকে বাঁচতে চাকরিজীবীরা আগেই বাড়ি পাঠিয়ে দিচ্ছেন পরিবারের সদস্যদের। যদিও, তার নিজের যাত্রা হবে একদম শেষ মুহূর্তে।
এখন পর্যন্ত ভাড়া আছে ঠিকঠাক। গুনতে হচ্ছে না অতিরিক্ত কিছু। তবে, অগ্রীম টিকেটে খরচ বেড়েছে কিছুটা। কাউন্টারের কর্মীরা বলছে, ২৫ তারিখ থেকে দূরপাল্লার বাসের টিকিটে নেয়া হচ্ছে শেষ স্টেশনের সমপরিমাণ ভাড়া। আর এসি বাসগুলোতে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা বেশি আদায় করা হচ্ছে । তাদের দাবি, এই ভাড়া নেয়া হচ্ছে সরকার অনুমোদিত চার্ট অনুযায়ী।
বৃহস্পতিবার ছিলো ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রির শেষদিন। শেষদিনে ঈদ ট্রেনের ৭২ হাজারেরও বেশি টিকিট বিক্রি হয়েছে অনলাইনে।
রাজধানী ছাড়ছেন মানুষ
দাম বেশি রাখায় মিরপুরে ভোক্তার অভিযান, জরিমানা