শুরু হয়েছে রেলপথে ঈদযাত্রার ট্রেন চলাচল। অগ্রিম কেটে রাখা টিকিটে পরিবার পরিজন নিয়ে বাড়ির পথে নগরবাসী। তারা বলছেন, নিরাপদে পৌঁছাতে চান বাড়ি। আনন্দে কাটাতে চান ঈদ।
সোমবার (২৪ মার্চ) ঈদযাত্রার ৪৩টি ট্রেন ছেড়ে যাবার কথা রয়েছে। পাশাপাশি, যাত্রী নিরাপত্তার জন্যও এবার নেয়া হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ। তবে, দূরপাল্লার বাসস্ট্যান্ডগুলোতে এখন নেই যাত্রীদের ভিড়।
সরেজমিনে দেখা যায়, ট্রেনের জানালায় জানালায় উচ্ছ্বাস হাসিমুখ। শিশুদের এই আনন্দই বলে দেয়, এলো ঈদ, যাচ্ছি শেকড়ে।
জারা নূর। যখন শেষবার সে দাদার বাড়ি গিয়েছিলো, তখন সে ছিলো অনেক ছোট। এবার প্রায় ৭ বছর পর আবারও যাচ্ছে গ্রামের বাড়ি।
অপরদিকে, ফাবিহা ইসলাম ইসলাম রাফা, সাড়ে ৩ বছর বয়স। যাচ্ছে নানা বাড়ি। এদিকে জিম পরিবারের সাথে ঈদ করতে বাড়ির পথে। উচ্ছ্বাস তার চোখে মুখে। তবে, ঈদের পরই পরীক্ষা, তাই ফিরতে হবে খুব তাড়াতাড়ি। আর এই শিশুদের আনন্দই বুঝিয়ে দেয়, ঈদ মানে শেকড়ে ফেরা আর সবার আদরে ভালোবাসায় সিক্ত হওয়ার উপলক্ষ্য।
শিশুদের যখন এই উচ্ছ্বাস, তখন বড়রাও পিছিয়ে নেই। পরিবার সাথে নিয়ে ঈদ আনন্দের ভাগীদার হতে তারাও বাড়ির পথে।
সোমবার ছিলো ঈদযাত্রায় ঈদ রেলের প্রথম দিন। ভোর ৬টায় রাজশাহীর উদ্দেশ্যে ধূমকেতু এক্সপ্রেস ছেড়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয় এবারের ট্রেনের ঈদযাত্রা। আর প্রথম দিনে ঢাকা থেকে দেশের নানা প্রান্তে আন্তঃনগর ট্রেন ছেড়ে যাবার কথা ৪৩টি। আজ থেকে শুরু হচ্ছে ট্রেনের ফিরতি যাত্রার টিকিট বিক্রি।
তবে, বাসস্ট্যান্ডগুলোতে এখনও নেই ঈদযাত্রার ভিড়। শেষ সময়ের দুর্ভোগ এড়াতে পরিবারের নারী ও শিশুদের আগেভাগে পাঠিয়ে দিচ্ছেন চাকরিজীবীরা।
ঈদ উপলক্ষ্যে ২৮ তারিখ থেকে টানা ৯ দিনের ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। ফলে শেষ সময়ে ভিড় বাড়তে পারে বলে আশা করছেন গণপরিবহন সংশ্লিষ্টরা।
মঙ্গলবার স্বাধীনতা পুরস্কার প্রদান করবেন প্রধান উপদেষ্টা