ইরানের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নাগরিকদের আত্মসমপর্ণের জন্য তিনদিনের সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে দেশটির কর্তৃপক্ষ। ‘প্রতারণার শিকার হয়ে’ যারা ‘দাঙ্গায়’ যোগ দিয়েছিল তারা আত্মসমর্পণ করলে তাদের প্রতি শাস্তির ক্ষেত্রে নমনীয়তা দেখানো হবে বলে জানিয়েছেন ইরানের জাতীয় পুলিশের প্রধান।
স্থানীয় সময় সোমবার (১৯ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া বক্তব্যে পুলিশের প্রধান আহমদ-রেজা রাদান এই ঘোষণা দেন।

দেশটির পুলিশ প্রধান বলেন, যেসব তরুণ অনিচ্ছাকৃতভাবে দাঙ্গায় জড়িয়ে পড়েছে, তাদের শত্রু নয় বরং প্রতারিত ব্যক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ইরানের শাসন-ব্যবস্থায় তাদের প্রতি নমনীয় আচরণ করা হবে এবং আত্মসমর্পণের জন্য তাদের সর্বোচ্চ তিনদিন সময় দেয়া হয়েছে।
নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট ইরানি কর্মকর্তারা বলেছেন, বিক্ষোভগুলো শান্তিপূর্ণ ছিল, কিন্তু তারপর বিশৃঙ্খলায় রূপ নেয়, যা তারা দাবি করেন যে, ইরানের চিরশত্রু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরাইল পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার প্রচেষ্টায় ইন্ধন জুগিয়েছিল।
এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধির প্রতিবাদে ধর্মঘটের ডাক দেন রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন বাজারের পাইকারি ও খুচরা ব্যবসায়ীরা। এরপর মাত্র কয়েক দিনের মধ্যে ইরানের ৩১টি প্রদেশের প্রায় সবগুলো শহর-গ্রামে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে বিক্ষোভ।
নোবেল না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়েই গ্রিনল্যান্ড দখলে মরিয়া ট্রাম্প!
গাজা পুনর্গঠনে ট্রাম্পের শান্তি পরিষদে পুতিনকে আমন্ত্রণ